,

রাউজানের পালিয়ে যাওয়া দুই সন্তানের জননীকে চন্দনাইশ থেকে উদ্ধার



শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :
রাউজান উপজেলার ১৩ নং নোয়াপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের চৌধুরী হাট ঘাটকুল এলাকার রুহুল অমিন সওদাগর বাড়ীর মৃত আবদুর রহমান প্রকাশ এলাহি বক্সের পুত্র প্রবাসী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদদের স্ত্রী দুই সন্তানের জননী নাসিমা আকতার (২৫) গত ২০১৭ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে একই এলাকার চৌধুরী হাট ঘাটকুল এলাকার ফুলমিয়া বস্তির বাড়ীর মোঃ হাবিব প্রকাশ বোবা মিয়ার পুত্র সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেক (৩২) কে নিয়ে পালিয়ে যায়।

নাসিমা আকতার পালিয়ে যাওয়ার সময়ে তার স্বামী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদ প্রবাসে ছিল। নাসিমা আকতার পালিয়ে যাওয়ার সময়ে প্রবাসী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদের বসতঘর থেকে ১৮ ভরি ওজনের স্বর্ণলংকার ও প্রবাসী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদের প্রবাস থেকে পাঠানে ৯ লাখ টাকা নিয়ে যায়। নাসিমা আকতার সিএনজি অটোরিক্সা চালক সাদেকের সাথে টাকা ও স্বর্ণলংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময়ে তার দুই সন্তান মোঃ শেখ জোনায়েদ সাকিব (৭), নাজাদ (৩) কে ফেলে চলে যায়।

এ ঘটনার পর নাসিমা আকতারের ভাবি নাসরিন সুলতানা পারুল বাদী হয়ে নাসিমা আকতারকে অপহরন করে নিয়ে গেছে বলে আদালতে নাসিমা আকতারের ভাসুঁর জালাল আহম্মদ, জাঁ রোকসানা আকতার, সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেককে আসামী করে মামলা করে । মামলাটি পি, আই বি, তদন্ত করে ।

এঘটনার পর গত ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর নাসিমা আকতারের স্বামী প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আসে তার স্ত্রী নাসিমা আকতার তার পাঠানো টাকা ও ঘর থেকে স্বর্ণলংকার চুরি করে নিয়ে সিএনজি চালক সাদেককে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তার পরিবারের সদস্য ও এলাকার লোকজন থেকে জানান পর গত ২০১৮ সালের ২২ অক্টোবর প্রবাসী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদ বাদী হয়ে তার টাকা স্বর্ণলংকার চুরির বিষয়ে রাউজান থানায় মামলা করে ।

মামলায় সিএনজি চালক ছাদেক, নাসিমা আকতার, নাসিমার ভাবি নাসরিন সুলতানা পারুল, নাসের, ছাদেকের মাতা মমতাজ বেগমকে আসামী করা হয় । রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই জাবেদ মামলাটি তদন্ত করছেন । মামলাটির তদন্তকালে নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই জাবেদ গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে গত ৯ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রামের চন্দনাইশ একটি ভাড়া বাসা থেকে নাসিমা আকতার ও সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেককে উদ্বার করে রাউজান থানায় নিয়ে আসে।

রাউজান থানায় পুলিশের হাতে আটক নাসিমা আকতার সাংবাদিকদের বলেন আমাকে কেউ অপহরন করেনি । আমি স্বেচ্ছায় সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেককে নিয়ে পালিয়ে গিয়ে আমারা একে অপরজনকে ভালবেসে আদালতে গিয়ে বিবাহ করে চন্দনাইশ এলকায় ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস করার সময়ে পুলিশ আমাকে ও ছাদেককে ভাড়া বাসা থেকে আটক করে ।

Digital Camera

রাউজান থানার সেকেন্ড অফিসার নুর নবী ও নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই জাবেদ বলেন, দুই সন্তানের জননী নাসিমা আকতার সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেককে নিয়ে পালিয়ে বিয়ে করে চন্দনাইশ এলাকায় ভাড়া বাসা নিয়ে বসবাস করছে । অপরদিকে নাসিমা আকতারকে অপহরন করেছে বলে নাসিমা আকতারের ভাবি নাসরিন সুলতানা পারুল বাদী হয়ে নাসিমার প্রবাসী স্বামী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদের ভাই জালাল আহম্মদ, তার স্ত্রী রোকসানা আকতারকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হয়েছে ।

প্রবাসী এয়াকুব আলী প্রকাশ শেখ আহম্মদের দায়ের করা চুরির মামলায় চন্দনাইশ থেকে উদ্বার হওয়া নাসিমা আকতার ও সিএনজি অটোরিক্সা চালক ছাদেককে আদালতে সোর্পদ করা হয় বলে রাউজান নোয়াপাড়া পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস আই জাবেদ জানান ।

মতামত দিন