,

রাউজানে মাদক ব্যবসায় পুলিশ জড়িত থাকার অভিযোগ, সিএনজিতে ইয়াবা বা মদ রেখে মোটা অংকের টাকা আদায়

 

শফিউল আলম রাউজানবার্তা :-:

রাউজানের মাদক বিরোধী অভিযান চলছে প্রতিটি এলাকার। মাদক ব্যবসায়ী মাদক সেবী, মাদক ব্যবসায়ীদের পৃষ্টপোষন কারীদের তালিকা করছে পুলিশ। রাউজানে গত এক মাসে মাদক দ্রব্য আইনে রাউজান থানায় মামলা হয়েছে ৩৬টি।বিপুল পরিমাণ পাহাড়ী চোলাই মদ ও ইয়াবা উদ্বার করে পুলিশ।

আজ ৩ জুন রবিবার দুপুরে স্থানীয় জনতা নোয়াপাড়া থেকে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে। তিন মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন রাউজানের পুর্ব গুজরা ইউনিয়নের আধার মানিক ঠান্ডা মিয়া চৌকিদার বাড়ীর মাহাবুল আলমের পুত্র মোঃ সাইফুল (২০) , রাউজানের হরিশ খান পাড়া এলাকার মোঃ আলীর পুত্র মাসুদ(১৯), রাউজানের কেউটিয়া এলাকার আবদূল শুক্কুরের পুত্র নাঈম (২২)।

জনতার হাতে আটক তিন মাদক ব্যবসায়ী মাদক পাচার করতো।এছাড়া ও বিভিন্ন স্থানে সিএনজি অটোরিক্সাতে পাহাড়ী চেলাই মদ ও ইয়াবা ট্যাবলয়েট রেখে গোপনে রাউজান থানার এ এস আই ফারুককে সংবাদ দিয়ে সিএনজি অটোরিক্সা ধরিয়ে দিতো বলে তিন মাদক ব্যবসায়ী জনতার কাছে স্বীকার করে।

রাউজান থানার এ এস আই ফারুক প্রতিটি সিএনজি অটোরিক্সা ধরিয়ে দিলে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে চার হাজার টাকা করে দিতো।প্রতিটি সিএনজি অটোরিক্সা থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে এ এস আই ফারুক সিএনজি অটোরিকাসা ছাড়তো বলে তিন মাদক ব্যবসায়ী স্বীকার করে সাংবাদিকদের কাছে।

রাউজান থানার ওসি কেপায়েত উল্ল্রাহ বলেন আমাকে পশ্চিম গুজরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাহাবুউদ্দিন আরিফ ফোন করে তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে বলে জানিয়েছেন।তিনজন মাদক ব্যবসায়ী জনতার কাছে যে বক্তব্য দিয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবী করে রাউজান থানার ওসি কেপায়েত ুউল্ল্রাহ বলেন, রাউজানে মাদক বিরোধী অভিযাণকে দমিয়ে রাখতে একটি মহল পুলিশের বিরোদ্বে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।এ এস আই ফারুকের বিরুদ্বে তিন সোর্সদের অভিযাগ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে এ এস আই ফারুকের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাউজান উপজেলার পাশর্^বর্তী রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পাহাড়ী চোলাই মদ তৈয়ারী করা হয়। পাহাড়ী এলাকার তৈয়ারী চোলাই মদ. পাহাড়ী এলাকা দিয়ে ইয়াবা ট্যবলয়েট রাঙ্গামাটি সড়ক, কাপ্তাই সড়ক, হাফেজ বজলুর রহমান সড়ক, শহীদ জাফর সড়ক, রাউজান নোয়াপাড়া সড়ক. দোস্ত মোহাম্দ চৌধুরী সড়ক, অদুদিয়া সড়ক দিয়ে সিএনজি অটোরিক্সা, কার, যাত্রীবাহী বাসে করে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় পাচার করে প্রভাবশালী মাদক ব্যবসায়ীরা। রাউজানের পাাহাড়ী এলাকা হলদিয়ার বৃন্দ্বাবন পুর, বৃকবানপুর, জানিপাথর, বানারস, রাধামাধবপুর, সুড়ঙ্গা, মেলুয়া, আইলী খীল, ওয়াহেদের খীল, রাউজান রাবার বাগান, ডাবুায়া, রাবার বাগান, হিংগলা, কলমপতি, পুর্ব রাউজান, রাণি পাড়া, জয়নগর বড়–য়া পাড়া, শমশের নগর, শমমের পাড়া, ভোমর পাড়া জগৎপুর আশ্রম এলাকায় পাহাড়ী পথে মাদক ব্যবসায়ীরা পাহাড়ী চোলাই মদ এনে মজুদ করে । রাতে ও ভোর রাতে মাদক ব্যবসায়ীরা সিএনজি অটো রিক্সা, কার ও মাই‘েক্রাবা‘েস করে পাহাড়ী এ‘লাকা থেকে পাহাড়ী চোলাই মদ ভর্তি করে সড়ক পথে পাচার করে আসছে।

রাউজান- ফটিকছড়ি সীমানবর্তী এলাকা দিয়ে ইয়াবা ট্যাবলয়েট পাচার করে মাদক ব্যবসায়ীরা । রাউজান থানার এ এস আই ফারুক রাউজান ফকির হাট বাজারের ব্যবসায়ী মুক্তিযোদ্বা বাবুল দাশকে পাহাড়ী চেলাই মদের প্যাকেট দিয়ে তাকে রাউজান থানায় ধরে এনে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ করে মুক্তিযোদ্বা বাবুল দাশ। দিদারুল আলমের সিএনজি অটোরিক্সায় এ এস আই ফারুকের সোর্স মাদক নাঈম ইয়াবা ট্যাবলটে দিয়ে এ, এস আই ফারুক কে দিয়ে ধরিয়ে দেয়। এ এস আই ফারুক ৫০ হাজার টাকা নিয়ে দিদারুল আলমের সিএনজি অটোরিক্সা ছেড়ে দেয়। রাউজানের সুলতান পুর এলাকার রিটন নামে এক মাদক সেবীকে ধরে তার কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে এলাকার লোকজন অভিযোগ করে।

রাউজানের বিভিন্ন এলাকার লোকজন অভিযোগ করে বলেন, রাউজানে মাদক বিরোধী অভিযানে পুলিশ বাঘা বাঘা মাদক ব্যবসায়ীকে ধরা ছোয়ার বাইরে রেখে চুনো ফুটিদের ধরে মাদক বিরোধী অভিযান করছে। দরিদ্র সিএনজি অটোরিক্সা চালকদের সিএনজিতে ইয়াবা দিয়ে ও পাহাড়ী চোলাই মদ দিয়ে তাদের কাছ থেকে মোচা অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয় বলে এলাকার লোকজন অভিযোগ । জনতার হাতে ধরা পড়া পুলিশের সোর্স মাদক ব্যবসায়ী নাঈম সাংবাদিকদের বলেন. আমাদেরকে এ এস আই ফারুক ইয়াবা ট্যবলয়েট ও পাহাড়ী চোলাই মদ দেয় আমারা ইয়াবা ট্যাবলয়েট ও পাহাড়ী চোলাই মদ সিএনজি অটোরিক্সাতে গোপনে রেখে এ এস আই ফারুককে সংবাদ দিলে এ এস আই ফারুক এসে সিএনজি অটোরিক্সা আটক করে সিএনজি অটোরিক্সাতে রাখা ইয়াবা ট্যাবলয়েট ও পাহাড়ী চোলাই মদ সিএনজি অটোরিক্সায় রাখার অপরাধে তাদের থানায় নিয়ে যায় । একটি সিএনজি অটোরিক্সা ধরিয়ে দিলে আমাদেরকে ৪ হাজার টাকা দেয় এ এস আই ফারুক । এ এস আই ফারুকের নিজের মোটর সাইকেল মাদক ব্যবসায়ী নাঈম চালিয়ে রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ায় বলে সিএনজি অটোরিকাসা চালক নেয়ামত জানান ।

এ প্রসঙ্গে এ এস আই ফারুকের কাছে জানতে চাইলে এ এস আই ফারুক এসব অভিযোগ মিখ্যা বলে দাবী করে। জনতার হাতে আটক তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আজ সন্দ্ব্যায় জনতা রাউজান থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করে ।

মতামত দিন