দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী ও শহীদ জাফর সড়কে উন্নয়ন কাজের ধীরগতি জনসাধারণের চরম দুভোর্গ

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান উপজেলা সদরের ডাকবাংলো থেকে শুরু হওয়া শহীদ জাফর সড়ক। সড়কের উন্নয়ন কাজ চলাকালীন সময়ে পুরাপুরি ভাবে সড়ক বন্দ্ব করে দেওয়ার কোন নিয়ম না থাকলে ও শহীদ জাফর সড়কে উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে নাম দিয়ে সড়কে দেওয়া হয়েছে ব্যরিকেট। এতে জনসাধারণের চরম দুভোর্গ পোহাচ্ছে। চলাচল করতে দিচ্ছেনা কোন যানবাহন, পায়ে হেটে চলাচলেও বাধা প্রদান করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের নিয়োগ দেওয়া লোকজন । এলাকার লোকজন পায়ে হেটে সড়ক দিয়ে চলাচলের সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের লোকজন তাদের লাঞ্চিত ও মারধর করছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।

শহীদ জাফর সড়কটি রাউজান পৌরসভার সুলতান পুর, আদালত ভবন, ছত্র পাড়া, ডাবুয়া হাসান খীল, ফুইট্যা টিলা, রোয়াইঙ্গা বিল, পুর্ব ডাবুয়া, সেবা খোলা, হলদিয়া ইউনিয়নের জানিপাথর, গলাচিপা, বৃকবানুপুর, বৃন্দাবনপুর হয়ে পাবর্ত্য জেলার কাউখালী উপজেলার ভ্রাম্বনছড়ি, ডাবুয়া পাড়ার সাথে মিলিত হয়েছে ।

সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন রাউজান, ফটিকছড়ি, পাবত্য চট্টগ্রামের কাউখালী উপজেলার ডাবুয়া পাড়া, ভ্রাম্বন ছড়ি, রক্তছড়ি, কচু পাড়া, চৌধুরী পাড়ার হাজার মানুষ চলাচল করে।

হাজার হাজার মানুষের চলাচলের সড়ক শহীদ জাফর সড়কটি সড়ক ও জনপথ বিভাগ থেকে উন্নয়ন কাজ করার জন্য টেন্ডার আহবান করলে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চৌধুরী এন্টার প্রাইজ ১শত ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কের উন্নয়ন কাজ নেয়।

গত ২০১৯ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সড়কের নির্মান কাজ শুরু করা হয়। সড়কের নির্মান কাজ শুরু করার পর ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ সড়কের প্রশস্তকরন, সড়কের মধ্যে পুরাতন কালর্ভাট ভেঙ্গে নতুন করে কালভার্ট নির্মান করে। সড়কটির রাউজান ডাকাবংলো থেকে ছত্র পাড়া এজাহারের দোকান পর্যন্ত সড়কটির উন্নয়ন কাজ করে।

অবশিষ্ট সড়কের উন্নয়ন কাজ করছে ধীরগতিতে। সড়কের উন্নয়ন কাজ করার নাম দিয়ে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গাছ ও বাশের খুটি পুতে সড়কে ব্যরিকেট দিয়ে সড়ক দিয়ে কোন যানবাহন ও পথচারী চলাচল বন্দ্ব করে দিয়েছে। সড়কের ব্যরিকেট স্থলে গাছের লাঠি হাতে দিয়ে ভাড়া করা লোকজন দিয়ে পাহাড়া দিয়ে সড়কে যানবাহন চলাচল ও পথচারী চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

সড়কের উন্নয়ন কাজ চলাকালীন সময়ে পুরাপুরি ভাবে সড়ক বন্দ্ব করে দেওয়ার কোন নিয়ম না থাকলে ও শহীদ জাফর সড়কে উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে নাম দিয়ে সড়কে দেওয়া হয়েছে ব্যরিকেট। চলাচল করতে দিচ্ছেনা কোন যানবাহন, পায়ে হেটে পথচারী ও চলাচলে বাধা প্রদান করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের নিয়োগ দেওয়া লোকজন । এলাকার লোকজন পায়ে হেটে সড়ক দিয়ে চলাচলের সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্টানের লোকজন তাদের লাঞ্চিত ও মারধর করছে বলে অভিযোগ করছেন এলাকাবাসী।

শহীদ জাফর সড়কের উন্নয়ন কাজ শুরু করার ২২ মাস অতিবাহিত হলে ও উন্নয়ন কাজ শেষ না করায়, সড়কের বিভিন্ন স্থানে ব্যরিকেট দিয়ে সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারী চলাচল ব›দ্ব করে দেওয়ায় হাজার হাজার মানুষ চরম দুভোর্গের মধ্যে দিয়ে হলদিয়া এয়াসিন শাহ সড়ক হয়ে দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়ক দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চৌধুরী এন্টার প্রাইজ দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের মেরামত কাজ নিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে। দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের মোরমত কাজ জুনের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা থাকলে ও কাজ শেষ করার সময়সীমা শেষ হওয়ার পর সড়কের মোরামত কাজ শুরু করা হয়েছে। শেষ সময়ে দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের মেরামত কাজ শুরু করা হলে ও মেরামত কাজ চলছে ধীরগতিতে।

শহীদ জাফর সড়ক ও দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের উন্নয়ন কাজ ধীরগতিতে চলার কারনে উত্তর রাউজান, ফটিকছড়ি, পাবর্তা জেলার হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করছে।

চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কটি ৪ লেইনের কাজ চলছে, হাফেজ বজলুর রহামান সড়ক, অদুদিয়া সড়কে উন্নয়ন কাজ চললে ও সড়কে ব্যরিকেট দিয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারী চলাচল বন্দ্ব করা হয়নি।

শহীদ জাফর সড়ক উন্নয়ন কাজের নাম দিয়ে গত এক বৎসর ধরে সড়কে ব্যরিকেট দিয়ে যানবাহন চলাচল ও পথচারী চলাচল বন্দ্ব করে দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালামের কাছে জানতে চাইলে, প্রকৌশলী আবুল কালাম বলেন, শহীদ জাফর সড়ক সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধিন হওয়ায় আমি কোন মন্তব্য করতে পারবোনা । সড়কের উন্নয়ন কাজ চলাকালে সড়কে ব্যরিকেট দিয়ে সর্ম্পুণভাবে যানবাহন চলাচল ও পথচারী চলাচল বন্দ্ব করার কোন নিয়ম নেই। দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধিন। সড়কটির মেরামত কাজ চলছে । দ্রুত দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী সড়কের মেরামত কাজ সম্পন্ন করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্টানকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *