Categories
মুক্তমত

রাউজানে দ্রব্য মূল্য মনিটারিং করলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজানে দ্রব্য মূল্য বেশী নিচ্ছে কিন যাচাই করতে বাজার  মনিটারিং করলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ।

২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যজিষ্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভুইয়া আনসার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় রাউজান ফকির হাট বাজার ও মুন্সর ঘাটায় মুদিও দোকান, চাউলে দোকান, মাংসের দোকান, মুরগীর দোকানে চাল, ডাল , পেয়াজ, আদা, রসুন, তৈল, মাছ, মাংসের দোকান মনিটারিং করেন। 

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বেশী মুল্য নিয়ে মালামাল বিক্রয় করছেন কিনা তা দেখেন। 

এসময়ে একটি হোমিওপ্যথিক ঔষধের দোকানে মেয়াদ উর্ত্তিন ঔষধ বিক্রয়, একটি মুদির দোকানে মেয়াদ উত্তির্ন মালামাল বিক্রয়, সামাজিক দুরত্ব না মেনে একটি সিএনজি অটোরিক্সায় করে পরিবহনের অপরাধে ৬ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যজিষ্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

বাজার মনিটারিং কালে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ ।

Categories
মুক্তমত সাক্ষাৎকার

Privacy Policy :

Privacy Policy :

We reserved some privacy policy some of them are for us and some of them are for our valued users.

Personal information: We do not share any personal information publicly which is harmful for anybody. We just provide the news portal link for ready online. Third party link: We use some third party websites link to our website which is very much useful for our valued user. We do not use any junk or virus effected link to our website.

How we collect information’s: We collect website database from government of Bangladesh media directory. We also get email from our reporter, client who is interested to add their news portal to our directory.

Changes of Privacy Policy: We reserved right to change any time in our privacy policy and terms of use.

If you have any question to know please email us: raozan786@gmail.com

Categories
মুক্তমত রাউজান রাজনীতি

রাউজান আওয়ামী রাজনীতির পথ পরিক্রমা

 সাইফুল ইসলাম চৌধুরী রানা

সৌভাগ্যবশত আওয়ামী পরিবারে আমার জন্ম। দলের জন্য বাবার ত্যাগ-ভালোবাসা দেখতে দেখতে বেড়ে উঠা। তাই নিজের মধ্যে সযতেœ জন্ম নিয়েছে একটি ‘অনুভূতি’। সেই অনুভূতির নাম ‘বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ’ । যেমনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের জাতীয় সম্মেলনে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছিলেন, “আওয়ামীলীগ শুধু একটি দল নয়, এটি একটি অনুভূতি” ।। (((বিজ্ঞপ্তি- মোবাইলের যে কোন সমস্যা, মেরামত/ মোবাইল ফ্লাশ/ ভার্সন আপডেট / কান্ট্রি লক, জিমেইল লক, এমআই লক, আই ফোনের আইক্লাউড লক সহ যেকোন লক খুলতে যোগাযোগ করুন- ১।মোবাইল থেরাপী, শাহ আমানত সিটি কর্পোরেশন মার্কেট, দোকান নং-৬৯, ২য় তলা, জুবলী রোড, আমতল, চট্টগ্রাম। মোবাইল-01719-117470 )))

২। রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ সেইলস্ & সার্ভিসিং, ভারতশ্বরী প্লাজা, পথেরহাট, নোয়াপাড়া, রাউজান, চট্টগ্রাম । মোবাইল-01719-117470 )))

রাউজান উপজেলায় আওয়ামীলীগের ইতিহাস-ত্যাগ, সংগ্রামে যতুটুক সমৃদ্ধ হয়েছে ততটা সমৃদ্ধ আদর্শের র্চচায়। যেখানে বহু নেতা-কর্মী আদর্শের  প্রশ্নে আপোস না করায় জীবন দিয়েছেন, সহায়-সম্পত্তি হারিয়েছেন। আওয়ামীলীগে শিক্ষিত মানুষের সংখ্যাও ছিল বেশি। তাই রাজনীতিতে আদর্শ চর্চাও হতো বেশি।

সে আদর্শ বুকে ধারণ-লালন করে অনেকেই নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন, অনেকে ঠাঁই করে নিয়েছেন নেতা-কর্মীদের অন্তরে। তাদেরই একজন আমার বাবা মরহুম আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম চৌধুরী বেবী।

মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বঙ্গবন্ধুর আহবানে দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগ করেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক অধ্যাপক মুহাম্মদ খালেদ এর হাত ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে আসেন তিনি।  পরবর্তীতে রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর হাল ধরেছেন, সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘ দুই যুগের বেশি সময়। ১৯৯১-২০১৭ সাল, পর পর ০৩ টি সম্মেলন। অথচ রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর পথচলা ছিলো কন্টকময়। স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিশালী চিহ্নিত পরিবারটির বিষদাঁতের বিষাক্ত ছোবল  কেড়ে নিয়েছে অসংখ্য আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর প্রাণ। যেখানে বঙ্গবন্ধুর কথা বলা, প্রগতির কথা বলা  ছিল একজন কর্মীর জন্য দু:সাহসের ব্যাপার!

১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা যখন যুগান্তকারী, বিচক্ষন এবং দূরদর্শী সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে জননেতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরীকে রাউজান আসনে মনোনয়ন দেন, তখন স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতাদের একটি অংশ তাঁকে মেনে নেয়নি। চট্টগ্রাম রাজনীতির দুই অভিভাবক ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন ও এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী এর পরামর্শে আমার বাবা নেত্রীর মনোনীত প্রার্থীকে সাদরে গ্রহণ করে নেন এবং নির্বাচনে বিজয় অর্জনে প্রাণপন প্রচেষ্টা চালান। কিন্তু স্থানীয় আওয়ামী-লীগের বিদ্রোহী অংশটি  ভেতরে ভেতরে জাতীয় পার্টির প্রার্থী জিয়া উদ্দিন বাবলুর পক্ষ নেওয়ায় সামান্য ব্যবধানে হেরে যান জননেত্রীর প্রার্থী এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী। তবে তিনি থেমে থাকেননি, শুরু করেন তার উন্নয়নমুখী রাজনীতি। রাউজানের প্রতিটি রাস্তা-ঘাট নির্মাণসহ বাস্ত-বায়ন করেন শত শত কোটি টাকার উন্নয়ন কর্মযজ্ঞ।

ফলশ্রুতিতে ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে রাউজানের আসনটি উপহার দেন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি। সৃজনশীলতা, কর্মস্পৃহা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও উন্নয়নমুখী রাজনীতির মূল্যায়ন স্বরূপ জননেত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতেই ৬ বার মনোনয়ন  দিয়েছেন তাঁকে। ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৬ (স্থগিত), ২০০৯, ২০১৪ এবং ২০১৮ সাল মোট ৬ বার প্রাপ্ত মনোনয়নে টানা ০৪ বার জয়লাভের মধ্য দিয়ে নেত্রীর মূল্যায়নকে সঠিক প্রমাণিত করেছেন তিনি। একবার নির্বাচন স্থগিত হয়েছিল। একবার ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনে হারানো হয়েছিল। আমি দৃঢ়তার সাথে বলছি, ১৯৯৬ সনে ষড়যন্ত্রকারীরা যদি এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরীর বিরোধীতা না করত কখনোই এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরীর রাজনৈতিক জীবনে পরাজয়ের আচঁড় লাগতনা। উল্লেখ্য, ৯৬ সালে নেত্রীর সিদ্ধান্তকে যারা গ্রহণ করেননি, তারা পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা ভোগ করেও এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন এখনো। অথচ ষড়যন্ত্রকারী পক্ষ জানেই না এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী’র নেতৃত্বে রাউজান আওয়ামী লীগ সু-সংগঠিত এবং যেকোনো ষড়যন্ত্র নসাৎ করে দিতে সর্বদা প্রস্তুত।

প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, অধ্যাপক মোহাম্মদ খালেদ শয্যাশায়ী থাকা অবস্থায় তখন আমার বাবা ওনাকে দেখতে গেলে আবেগাল্পুত হয়ে নেতাকে বলেন আপনি আমাদের ক্ষমা করে দিবেন আমরা আপনার কাছে ঋণী কারন আপনি রাউজানের সংসদীয় আসনটি একবার উপহার দিয়ে আমাদেরকে আজীবনের জন্য ঋণী করে রেখেছেন। স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ ২৭ বছরে আমরা আর রাউজানের আসনে জয়লাভ করতে পারিনি। প্রতিউত্তরে অধ্যাপক মো: খালেদ বলেন, না! বরং আমিই তোমাদের প্রতি ঋণী; কারন তোমরা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে আামাকে নির্বাচনে জয়ী করেছ। বাবার নেতৃত্বে দীর্ঘ ২৭ বছর পর ২০০১ সালে যখন রাউজান সংসদীয় আসনে জননেতা জনাব এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী প্রথমবার নির্বাচনে জয়লাভ করেন তখন উপজেলা আওয়ামীলীগের পার্টি অফিস হিসিবে পরিচিত সুবর্ণা প্রির্ন্টাসের সামনে নির্বাচনী বিজয় মিছিল পরবর্তী হাজারো জনতার সমাবেশে বক্তব্য রাখার সময় আবেগাপ্লুত হয়ে বাবা বলেন, আজ আমার দীর্ঘদিনের স্বাদ পূর্ণ হয়েছে। র্দীঘ ৩০ বছর পর পূর্বে অধ্যাপক মো: খালেদ সাহেব নৌকাকে বিজয়ী করে গিয়েছেন। আজ ৩০ বছর পর আবার এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী নৌকার বিজয় উপহার দিয়ে রাউজান আওয়ামী পরিবারকে পুনরায় ঋণী করলেন।

রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি’র নেতৃত্বে এখন সুসংগঠিত। তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সদর এলাকায়  উপজেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়, ১৪ টি ইউনিয়ন ও পৌরসভা মিলে মোট ১৬ টি দলীয় কার্যালয় নির্মাণ করা হয়। যা সারাদেশে নজির স্থাপন করে। এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী’র প্রত্যক্ষ তত্বাবধানে  রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর উদ্যোগে ১৫ আগষ্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মৃত্যুবার্ষিকীতে  প্রায় ১১শ ব্যাগ রক্তদান, প্রায় লক্ষ মানুষের জন্য মেজবান আয়োজন,  রাউজানের ৭০০ মসজিদে খতমে কুরআন মাহফিল উদযাপন ও অসংখ্য মন্দিরে শোক প্রার্থনা সহ নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।

বিভিন্ন সময় নেতৃত্ব দিয়ে আসা রাউজান উপজেলা আওয়ামীলীগ এর প্রয়াত নেতৃবৃন্দের ছবি দলীয় কার্যালয়ে প্রদর্শনের মাধ্যমে ত্যাগী নেতাদের স্মরণ করা হয়। প্রতি বছর রমজান মাসে মরহুম নেতৃবৃন্দের স্বরণে মরহুমের নিজ নিজ এলাকায় খতমে কোরআন ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। রাউজানে স্কুল ফিডিং প্রকল্পের মাধ্যমে দৈনিক ৩৩ হাজার প্রাথমিক শিক্ষার্থীর মাঝে খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে।

একদিনে সাড়ে চার লক্ষ ফলদ বৃক্ষের চারা রোপন করে নজির স্থাপন করেন। ২৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেন, রাউজানের সকল শিক্ষা ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানে নতুন নতুন ভবন নির্মাণ এবং ফুল বাগান সৃজন করে দৃষ্টিনন্দন করে তোলেন প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে, প্রতিটি বিদ্যালয়ে গ্যালারীসহ খেলার মাঠ নির্মাণ করেন, রাউজানের উত্তরে ও দক্ষিনে পিংক সিটি নামক দুটি আবাসন প্রকল্প স্থাপন  করেন।

রাউজানের পরীক্ষিত নেতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী:

কর্মীকে তার রাজনৈতিক জীবনে নেতার কাছে প্রতিনিয়ত পরীক্ষা দিতে হয়। কিন্তু নেতার পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ খুব কমই পায় একজন কর্মী।

২০০৪ সালে ২১ আগষ্ট বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার উপর যখন গ্রেনেড হামলা হয়, তখন আমরা হাতেগোনা ১৫/২০ জন কর্মী পাথরঘাটার বাসায় এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীর সাথে কথা বলছিলাম। সারাদেশে খবরে ছড়িয়ে পড়ে- গ্রেনেড হামলায় শেখ হাসিনাসহ আওয়ামীলীগ এর শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ কেউ বেঁচে নেই। খবর পেয়ে আমাদের নেতা ফজলে করিম চৌধুরী, সাথে থাকা মাত্র ১৫/২০ জন কর্মীকে নিয়ে কোতোয়ালী থেকে শুরু করে নিউমার্কেট-তিনপোলের মাথা-এনায়েতবাজার এলাকায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। নেত্রীর প্রতি নেতার এ ভালোবাসা ও আবেগ দেখে আমরা সেদিন আবেগ আপ্লুত হয়েছিলাম। আমরা যারা আওয়ামীলীগকে ভালোবাসি, বঙ্গবন্ধুকে ও শেখ হাসিনাকে ভালোবাসি। সেই আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারের উপর হামলায় যে নেতা ঘরে বসে না থেকে রাস্তায় ঝাঁপিয়ে পড়েন। সে নেতা আমাদের জন্য পরীক্ষিত নেতা।

উল্লেখ্য, বাবার নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠন রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগে ২০১২ সাল থেকে এই পর্যন্ত কর্মী হিসেবে কাজ করা  আমার জন্য  অনেক গর্বের ও পরম সৌভাগ্যের। বাবার মত নীতি আদর্শের উপর অবিচল থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ, দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্ব ও জননেতা এ.বি.এম ফজলে করিম চৌধুরী’র দিক নির্দেশনায় সংগঠনের কর্মী হয়ে আজীবন কাজ করে যাওয়া আমার দৃঢ় প্রত্যয়।

আসন্ন  ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও সংগঠনের সফলতা কামনা করছি।

Categories
আরো… চট্টগ্রাম মুক্তমত রাউজান সংগঠন বার্তা সরাদেশ

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি : মোবাইল সার্ভেসিং

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি : মাসে ৬০ হাজার টাকার অধিক আয় করতে সক্ষম মোবাইলের হার্ডওয়্যার কাজ জানা দক্ষ লোক নিয়োগ করা হবে

বিজ্ঞপ্তি :
রাউজানের বহুল পরিচিত, প্রসিদ্ধ ও স্বনামধন্য প্রতিষ্টান নোয়াপাড়া ভারতশ্বরী মার্কেটস্থ রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজে মোবাইলের হার্ডওয়্যার কাজ জানা একজন অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান জরুরী ভিত্তিতে নিয়োগ করা হইবে। যিনি মাসে ৬০ হাজার টাকার অধিক আয় করতে সক্ষম হবেন বা টার্গেট পুরনে আন্তরিক চেষ্টা করবেন।
বেতন ও অন্যান্য সূযোগ সুবিধা আলোচনা সাপেক্ষে।

নিয়োগ সংক্রান্ত যোগাযোগ : ০১৮১৮-১১৭৪৭০

রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজের সেবা সমূহ :
১. অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে মোবাইলরে যে কোন লক যেমন, কান্ট্রিলক, পাসওয়ার্ড বা জিমেইল ( এপআরএপ ) লক, আই ক্লাউড বা আ্যপল আইডি লক, শাওমি এমআই লক মোবাইল ফ্লাস, আপডেট, মোবাইলের পার্টস পরিবর্তন বা মেরামত। এ সংক্রান্ত যোগাযোগ : ০১৮১৮-১১৭৪৭০

২. মোবাইল সেইলস, মোবাইল ব্যাংকিং, পাইকারী মোবাইল কার্ড, মোবাইল এক্সেসরিজ, যে কোন কোম্পানীর মোবাইল সীম বিক্রয় এবং রিপ্লেসমেন্ট। এ সংক্রান্ত যোগাযোগ : ০১৮১-৭৭৭৬০০০, ০১৮১৫-৮৪৮৫৮৬

রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজের শাখা সমূহ :
১/ রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ, নোয়াপাড়া, পথেরহাট, ভারতশ্বরী প্লাজা মার্কেটস্থ ডাচ বাংলা ব্যাংকের নীচ। পাশপাশি তিনটি দোকান
২/ রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ, পাহাড়তলী কৃষি ব্যাংকের নীচে।
৩/ রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ, বাংলালিংক ডিস্ট্রবিউটর অাফস, পাহাড়তলী কৃষি ব্যাংকের নীচে।
৪/ মোবাইল থেরাপী, ৬৯, ২য় তলা শাহ আমানত সিটি কর্পো: মার্কেট, আমতল, চট্টগ্রাম।

Categories
মুক্তমত

রাউজানের কোরবানীর পশুর হাটে গরু ছাগল কেনাকাটার ধুম

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রাউজান চারাবটতল বাজার, গহিরা কালচান্দ চৌধুরী হাট, হলদিয়া আমির হাট, কাগতিয়া বাজার, কচুখাইন মিয়া আলীর হাট, রমজান আলী হাট, বাজারে আজ ৭ আগষ্ট বুধবার দুপুর থেকে রাউজানের বিভিন্ন এলকা ও পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলা থেকে প্রচুর পরিমাণ গরু বাজারে বিক্রয় করার জন্য আনা হয়। 

এছাড়া ও রাউজানের বিভিন্ন এলাকা গরু ব্যবসায়ীরা দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কোরবানীর বাজারে বিক্রয় করার জন্য মজুদ করা গরু বিক্রয় করার জন্য বাজারে আনে। রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ডেইরী ফার্মের গরু, এলাকার মানুষের লালন পালন করা গরু বাজারে বিক্রয় করার জন্য আনা হয় । 

কোরবানীর পশুর হাটে ঘুরে দেখা যায় এলাকার লোকজন তাদের নিজ নিজ পছন্দের গরু ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছে। ক্রেতাদের বেশী পছন্দ খামারের লালন পালন করা গরু ও এলাকার লোকজনের লালন পালন করা গরুর প্রতি । 

সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায় রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পশ্চিম রাউজান চারাবটতল বাজারে ৫ হাজারের বেশী গরু বাজারে বিক্রয় করার আনা হয়। 

 ৭ আগষ্ট বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সময়ে চারাবটতল বাজারে কয়েকশতাধ্ক গরু বিক্রয় হয়। চারাবটতল বাজার থেকে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দ্বা আজিজুল হক কোম্পানী ১লাখ ৮২ হাজার টাকা দিয়ে বড় সাইজের একটি ষাড় ক্রয় করেন । 

রাউজানের গহিরা কালচান্দ চৌধুরী হাটে ২হাজারের বেশী গরু বিক্রয় করার জন্য আনা হয় । কালচান্দ চৌধুরী হাটে ছোট মাঝারী, বড় সাইজের দেড় শত গরু বিক্রয় হয় বলে বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্যরা জানান । কোরবানীর পশুর হাটে হাজার হাজার ক্রেতা বিক্রেতাদের পদচারনায় বাজারগুলো মুখরিত হয়ে উঠে । বাজারের মধ্যে পুলিশ ও বাজার পরিচালনা কমিটির সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকতে দেখা যায় ।

Categories
মুক্তমত রাউজান রাজনীতি

রাউজানের রাজনীতি ভিন্ন ১০০% সঠিক বলেছে তালাশ ঠিম…

বাংলাদেশের রাজনীতির হিসাব নিকাশ এক রকম আর রাউজানের রাজনীতির হিসাব নিকাশ এক রকম ১২জুলাই রাত সাড়ে নয়টায় বেসরকারি টিলিভিশন ইনডিপেন্ডেন্ট এর অনুসন্ধান মূলক অনুষ্টান তালাশে এরকম এক মন্তব্য করেন উপস্থাপক।

মন্তব্যটি শত ভাগযে সঠিক তার প্রমান পাওয়া যায় রাউজান ঘুরে গেলে বা রাউজানে যারা বসবাস করছে তাদের সাথে আলাপ করলে। 

১২ জুলাই রাতে ফেইসবুকে রাউজান সম্পর্কে প্রকাশিত বিভিন্ন পোষ্ট রাউজানে সর্বাধিক প্রচারিত ‌অলাইন নিউজ পোর্টাল রাউজানবার্তা২৪.কম এর পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল…..সাহেদুর রহমান মোরশেদ, সম্পাদক ও প্রকাশক, রাউজানবার্তা, সহ- সভাপতি, রাউজান প্রেস ক্লাব, ০১৮১৮-১১৭৪৭০: :

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এম.পি নেতৃত্বে রাউজান এক অভিন্ন ও ঐক্যবদ্ধ। দুঃসাহসিক সকল যাত্রা উনার নেতৃত্বে। রাউজান কে করছেন সন্ত্রাসমুক্ত, বাড়িয়েছেন শিক্ষা হার। নান্দনিকরূপে সাজিয়েছেন রাউজান’কে। রাউজানবাসীর সময়ে অসময়ে সাপ্তাহে যখন চেয়েছেন তখনি পেয়েছেন উনাকে। 

সারাদেশে যখন হরতালের মানুষের দূর্ঘতি তখনি রাউজানবাসী চলছে নির্বিগ্নে নিরভয়ে হরতাল ছাড়া।

বড় বড় নেতারা যখন গরমে বাসায় বসে এসির হওয়া খাচ্ছেন তখন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি নেতাকর্মীদের নিয়ে তীব্র রোদ্রে একটানা চারদিন হেঁটেছেন সারা রাউজানে। নেই কোনো গাড়ি নাহি চলে বাড়ি যাওয়া, যেখানে রাত সেখানে রাত্রিযাপন। শুনেছেন রাউজানবাসীর সুখ দুঃখের কথা।

যখন সারাদেশে বন কাটতে ব্যাস্ত, দিন দিন যখন অপূর্ণ হচ্ছে বনায়ন তখন এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এম.পি মহোদয়ের নেতৃত্বে রাউজানবাসী রোপন করে ১ ঘন্টায় সমগ্র রাউজানে সাড়ে ৪ লক্ষ ফলজ ও বনজ গাছ।

হালদা থেকে কর্ণফুলি রাউজান সীমান্ত পর্যন্ত চারদিকে রাস্তার দুইপাশে জেনো এক সবুজ নগরী। এই সবুজ নগরীতে প্রতিটি দালান গোলাপি রঙ্গে সজ্জিত। সমগ্র উপজেলা পিংক গ্রীন ও ক্লিন সিটি নামে পরিচিত। 

বাংলাদেশের সকল উপজেলার মধ্যে ঐতিহ্যবাহী ও মডেল উপজেলা হচ্ছে রাউজান। মহাগুণী জনের জন্ম এই পটভূমিতে। এটি কোনো কাব্যর গল্প নয় সময় পেলে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলা এসে ঘুরে যাবেন… 

হ্যা এই জন্য রাউজান ভিন্ন ✌

ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত …….

ফেইসবুক থেকে সংগৃহীত …….বিভিন্ন পোষ্ট

নিউজ ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:

শফিউল আলম, প্রধান সম্পাদক

সাহেদুর রহমান মোরশেদ, সম্পাদক ও প্রকাশক

মোবাইল- ০১৮১৮-১১৭৪৭০

ইমেইল : raozan786@gmail.com

raozanbarta24. com

Categories
আরো… এক্সক্লুসিভ চট্টগ্রাম বিনোদন মুক্তমত রাউজান সংগঠন বার্তা সরাদেশ সাক্ষাৎকার

ভালোবাসায় সিক্ত হলেন সাংবাদিক সাহেদুর রহমান মোরশেদ

রাউজানবার্তা প্রতিবেদক :

জন্মদিনে বন্ধু- বান্ধব, আত্মীয়- স্বজন, সহকর্মী ও পাঠকদের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছেন অলনাইন নিউজ পোর্টাল রাউজানবার্তা২৪.কম এর সম্পাদক ও প্রকাশক, রাউজান প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি এবং রাউজান সাহিত্য পরিষদের সহ সভাপতি সাংবাদিক সাহেদুর রহমান মোরশেদ। 

সাংবাদিক শাহেদুর রহমান মোরশেদ দীর্ঘ ১৬ বৎসর যাবৎ জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদকর্মী হিসাবে (রাউজান প্রতিনিধি ) এবং বর্তমানে অনলাইন নিউজ পোর্টাল রাউজানবার্তা২৪.কম এর সম্পাদক/ প্রকাশক হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি রাউজানে রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ ও চট্টগ্রাম শহরে মোবাইল থেরাপি নামের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। তিনি বর্তমানে রাউজান প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি ও রাউজান সাহিত্য পরিষদের সহ সভাপতি হিসাবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তাছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি সামাজিক সংঘটনের সাথে জড়িত আছেন।

৮জুলাই সোমবার সন্ধ্যায় রাউজান সাহিত্য পরিষদের  উদ্যোগে উপজেলার নোয়াপাড়াস্থ একটি রেস্টুরেন্টে  তার ৪২ তম জন্মদিন পালন করা হয়। জম্মদিনে যেমন আনুষ্ঠানিকতার কথা মনে আসে, তেমন নয়। তবে ছিল নিখাদ ভালোবাসা ও প্রীতিতে উষ্ণতায় ভরা।

এসময় জম্মদিনের শুভেচ্ছা জানান, রাউজান সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মহিউদ্দিন ইমন, সহ সভাপতি জিয়াউর রহমান, সহ-সভাপতি আহমেদ সৈয়দ, সাধারন সম্পাদক নেজাম উদ্দিন রানা,  সহ সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল্লাহ রশিদী, সাংগঠনিক সম্পাদক সুপণ বিশ্বাস,  অর্থ সম্পাদক কামাল উদ্দিন,প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, শিক্ষা ও সমাজ কল্যান বিষয়ক সম্পাদক শেখর ঘোষ আপন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক কাজী শিহাব উদ্দিন ও রাউজানবার্তা২৪.কম এর প্রযুক্তি বিষয়ক পরামর্শক শায়েখুল ইসলাম তালুকদার। 

জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন রাউজান সাহিত্য পরিষদের কর্মকর্তরা

এসময় সাংবাদিক শাহেদুর রহমান মোরশেদ ফেসবুক, ফেসবুক messenger, টুইটার, হোয়াটস অ্যাপ, ইমো সহ বিভিন্ন মাধ্যমে যাঁরা তাকে উইশ করেছেন, তাদের সকলকে কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ জানান। নানা ঝামেলায় কিংবা ভুলে যাওয়ার কারনে যারা উইশ করতে পারেন নি, তাদের জন্যও তার ভালোবাসা থাকবে বলে জানান।

Categories
চট্টগ্রাম মুক্তমত

ইসলামে শ্রমের মর্যাদা ও শ্রমিকের অধিকার —মোহাম্মদ সাইদুল হক

 ইসলামের দৃষ্টিতে শ্রমিক কাজ করা মাত্রই পারিশ্রমিক দাবি করতে পারে। চুক্তি অনুসারে প্রত্যেক শ্রমিককে যথাসময়ে পূর্ণ বেতন পরিশাধ করে দিতে হবে। ত্বরিত মজুরি পরিশোধের তাকীদ দিয়ে রাসূলুল্লাহ্ (দ.) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। হযরত ‘আব্দুলাহ্ ইব্নে ‘ওমার (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (দ.) বলেছেন, “শ্রমিকের পারিশ্রমিক মজুরি তার ঘাম শুকানোর পূর্বে দিয়ে দাও” (সুনানু ইব্ন মাজাহ্)।

নবী করীম (দ.) আরও বলেন, “তিন ধরনের ব্যক্তি আছে কিয়ামতের দিন আমি যাদের দুশমন হবো। আর আমি যাদের দুশমন হবো তাকে আমি লাঞ্ছিত ও পর্যুদস্ত করে ছাড়ব। উক্ত তিনজনের মধ্যে একজন সে যে কোনো শ্রমিককে খাটিয়ে নিজের পুরোপুরি কাজ আদায় করে নেয়। কিন্তু তার উচিত মজুরি প্রদান করে না” (সহীহুল বুখারী)। ইসলামী শ্রমনীতির মূলনীতি ইসলাম পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক সকল বিষয়ে পারস্পরিক মতদ্বৈধতা মীমাংসার ক্ষেত্রে শাশ্বত মূলনীতি প্রদান করেছে। শ্রমিক-মালিকের দায়িত্ব, কর্তব্য, অধিকার ও পাওনা সম্পর্কে মতদ্বৈধতা নিরসনের ক্ষেত্রেও এ মূলনীতি অনুসরণ করে সুফল পাওয়া সম্ভব। একমাত্র এ মূলনীতি অনুসরণের ক্ষেত্রেও এ মূলনীতি অনুসরণের মাধ্যমেই যাবতীয় সমস্যার সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও ন্যায়সঙ্গত সমাধান সম্ভব। ইসলামের পূর্ণাঙ্গ অনুসরণের মাধ্যমেই কেবল মানবজাতির শান্তি ও কল্যাণ লাভ করতে পারে। আল্লাহ্তাআলা ঘোষণা করেন, “তোমাদের মধ্যে যদি কোনো বিষয়ে মতবিরোধ দেখা দেয় তবে তা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশ মুতাবিক মীমাংসা করে নাও” (সূরা নিসা : ৫৯)।

 ইসলামে শ্রমিকের মর্যাদা ইসলামে শ্রমিকের মর্যাদা ও গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। কেননা শ্রমিকই হলো সকল উন্নয়ন ও উৎপাদনের চাবিকাঠি। যে জাতি যত বেশি পরিশ্রমী সে জাতি তত বেশি উন্নত। শ্রম আল্লাহ্ প্রদত্ত মানব জাতির জন্যে এক অমূল্য শক্তি ও সম্পদ। এ সম্পর্কে আল-কোরআনে বর্ণিত আছে, “নিশ্চয়ই আমি মানুষকে শ্রমনির্ভর করে সৃষ্টি করেছি” (সূরা বালাদ : ৩)। কিন্তু ইসলাম বিবর্জিত বিভিন্ন সমাজে শ্রমের বিভিন্নতাকে বিভিন্ন দৃষ্টিতে দেখা হয়ে থাকে। তাদের দৃষ্টিতে কোনো শ্রম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আবার কোনো কোনো শ্রম অত্যন্ত অমর্যাদাকর। সেখানে অর্থের মানদন্ডের উপর ভিত্তি করে সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। যে যত অর্থশালী সামাজিকভাবে তিনিই তত সম্মানী। যদিও ন্যায়নীতির মানদন্ডে যতই স্বচ্ছ হউক না কেন তারাই সমাজের নিকৃষ্ট ও অবহেলিত ব্যক্তি। তাই দেখা যায় জীবিকা নির্বাহে যারা কায়িক শ্রম নির্ভরশীল তারা আদি যুগের দাসদের চেয়েও হীন হয়ে পড়েছে। যে কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে শ্রমিকই সবচেয়ে বেশি শ্রম প্রদান করে থাকে। তাই ইসলাম শ্রমিকদের সম্মানের দৃষ্টিতে দেখে থাকে। শ্রমজীবী মেহনতী মানুষের কাজের গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম।

আল্লাহ্তাআলা কাজের জন্য মানুষকে নামাযের পর বেরিয়ে পড়ার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “অতঃপর নামায শেষ করে পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়। আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণ করো এবং বেশি পরিমাণে আল্লাহকে স্মরণ করো যাতে সফলকাম হতে পার”’ (সূরা জুমু‘আহ্ : ১০)। রাসূলুল্লাহ্ (দ.) কথা, কাজ ও উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে শ্রম ও শ্রমিকদের প্রশংসা করেন। হযরত আবূ হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত। নবী করীম (দ.) বলেন, “কোনো ব্যক্তি তা থেকে উত্তম আহার করেনি, যা সে নিজ হাতে উপার্জন করে খেয়েছে। আল্লাহর নবী দাউদ (আ.) নিজ হাতে উপার্জন করে খেতেন” (মাজমা‘উয যাওয়াইদ ওয়া মাম্বাউল ফাউয়াইদ, পৃ. ৬১)। হযরত মিকদাম ইব্ন মাজদী কুরায়ব আয্-যুবায়দী (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী করীম (দ.) থেকে বর্ণনা করেন। নবী করীম (দ.) বলেন, “মানুষের নিকট তার চেয়ে কোনো উত্তম উপার্জন নেই, যা সে নিজের হাতে উপার্জন করে খায়। সে যা কিছু নিজের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য ও ঘরের ভৃত্যদের জন্য খরচ করে তা সবই সাদাকা” (সহীহুল বুখারী, পৃ. ১৯২)। হযরত সা‘দ (রা.) কামারের কাজ করতেন, হাতুড় দিয়ে কাজ করতে করতে তার হাত দু’টি বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিল। একদিন নবী করীম (দ.)-এর সাথে করমর্দন করার সময় সাদকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন, হাতুড় দিয়ে কাজ করতে গিয়ে এ অবস্থা হয়েছে। নবী করীম (দ.) তার হাত চুম্বন করে বললেন, “এ হাতকে কখনো আগুন স্পর্শ করবে না” (সহীহুল বুখারী, পৃ. ৪)।ইসলাম অধীনস্ত কর্মচারী ও শ্রমজীবী মানুষের মর্যাদা ঘোষণা করেছে।

আল্লাহ্তাআলা শ্রমকে নিয়ামতের সাথে তুলনা করে বলেন, “যাতে তারা তার ফল আহার করে এবং তাদের হাত যা কাজ করে তা হতে; তারা কি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে না?” (সূরা ইয়াসিন, ৩৫)। শ্রমিকদের যেন মানুষ ঘৃণা না করে বরং তাদের সম্মানের চোখে দেখে সে ব্যবস্থা ইসলাম করেছে। কারণ ইসলামের দৃষ্টিতে কোনো পেশাই ঘৃণিত নয়।
রাসূলুল্লাহ্ (দ.) খেটে খাওয়া মানুষের মর্যাদা বর্ণনা করে ঘোষণা করেন, আল-কাসিবু হাবীবুল্লাহ্ অর্থাৎ “শ্রমিক হলো আল্লাহর বন্ধু” (কানযুল উম্মাল, ৪র্থ খন্ড পৃ. ১২৭)। ইসলাম ভিক্ষাবৃত্তির চেয়ে শ্রমিকদের মর্যাদা অধিক হিসেবে বর্ণনা করেছে। রাসূলুল্লাহ্ (দ.) ঘোষণা করেন, “ঐ সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার জীবন! তোমাদের কারও পক্ষে এক গাছা রশি নিয়ে বের হওয়া এবং কার্য সংগ্রহ করে পিঠে বোঝাই করে বয়ে আনা কোনো লোকের কাছে গিয়ে ভিক্ষা চাওয়ার চেয়ে উত্তম। অথচ সে ব্যক্তি তাকে দান করতেও পারে অথবা তাকে বিমুখও করতে পারে” (সহীহুল বুখারী, ১ম খন্ড, পৃ. ৩২৫; জামি‘উত্-তিরমিযী, ১ম খন্ড, পৃ. ১৪৭; সুনানুন্-নাসা’ঈ, ১ম খন্ড, পৃ. ৩৬২)।

 ইসলামে শ্রমিকের অধিকার ইসলাম শ্রমিকদের অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করেছে, এ জন্য ইসলাম সুনির্দিষ্ট কাঠামো নির্ধারণ করেছে। যার সাহায্যে আমরা অতি সহজেই একটি ন্যায়নুগ শ্রমনীতি নির্ধারণ করতে পারি। আজকের এ সমাজে ইসলাম শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে নির্দেশনামা প্রদান করেছে, যদি আমরা সেদিকে দৃষ্টি প্রদান করি তাহলে সত্যিকারই একজন শ্রমিক সমাজে যুগান্তকারী সফলতা লাভ করবে এবং তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে। নিম্নে শ্রমিকের অধিকার সম্পর্কে ইসলাম যে বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য প্রদান করার কথা বলেছে, তা সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলো, ক. শ্রমিকের পেশা নির্ধারণের অধিকারশ্রমিকের যে বিষয়টি প্রথমেই নির্ধারণ করার বিষয়টি আসে তা হলো তার পেশা বা কাজ নির্ধারণ। কোনো কোনো পেশাকে কোনো কোনো সমাজে বা দেশে নিন্দনীয় মনে করে থাকে। তাই ইসলাম শ্রমিককে তার নিজস্ব চিন্তা-চেতনা অনুযায়ী পেশা নির্ধারণের অধিকার প্রদান করেছে। ইসলাম এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ উদার মনোভাব পোষণ করে। মূলত এটি ইসলামের মূল শিক্ষার একটি। ইসলামে কোনো শ্রেণী বৈষম্য নেই। ইসলাম সব ধরনের পেশাকেই সম্মানিত মনে করে। কারণ যত নিন্দনীয় কাজই হোক না কেন তা কিছু লোক না করলে তা কে করবে? যেমন, সুইপারের কাজ। সমাজের বা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে শ্রমিকের ওপর কোনো কাজ চাপিয়ে দেয়া অনুচিত।

এ সম্পর্কে আল্লাহ্তাআলা ঘোষণা করেন, “তিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে সুগম করেছেন। অতএব, তোমরা তার ভূ-পৃষ্ঠে বিচরণ কর এবং তার দেয়া রিযিক আহরণ কর” (সূরা মুলক, : ১৫)। কোনো পেশাই অসম্মানজনক নয়। বরং পরিশ্রম করে স্বহস্তে উপার্জিত সম্পদ সর্বোত্তম সম্পদ।খ. যথাযথ পারিশ্রমিক পাওয়ার অধিকার ইসলাম শ্রমিকের পারিশ্রমিক যথাসময়ে পাওয়ার অধিকার প্রদান করেছে। শ্রমের জন্য পারিশ্রমিক প্রদান করা অনিবার্য বিষয়। তাই শ্রমিককে তার যোগ্যতা ও পরিশ্রম অনুযায়ী যথাযথ সম্মানী তথা পারিশ্রমিক প্রদান করা জরুরি।

লেখক: মোহাম্মদ সাইদুল হক

মোহাম্মদ সাইদুল হক

সহকারী শিক্ষক  পোয়াপাড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কাউখালী, রাংগামাটি পার্বত্য জেলা।  

নিউজ ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:

শফিউল আলম, প্রধান সম্পাদক

সাহেদুর রহমান মোরশেদ, সম্পাদক ও প্রকাশক

মোবাইল- ০১৮১৮-১১৭৪৭০

ইমেইল : raozan786@gmail.com

raozanbarta24. com

Categories
চট্টগ্রাম ধর্ম মুক্তমত সরাদেশ

যাকাত দারিদ্র বিমোচন ও ভিক্ষাবৃত্তি দূরীকরণে সহায়ক—-মোহাম্মদ সাইদুল হক

দারিদ্রতা বিশ্ব মানবতার প্রধান সমস্যা। সমাজ থেকে স্থায়ীভাবে দারিদ্র দূর করার জন্যই ইসলাম যাকাত ব্যবস্হা চালু করেছে।আর যাকাত গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতও বটে, অন্যদিকে যাকাত হচ্ছে দারিদ্র বিমোচনের স্থায়ী ও চিরন্তন বিধান। ইসলামে যাকাত ব্যবস্থা ধনী দরিদ্রের বৈষম্য দূর করে ভারসাম্যমূলক সমাজ প্রতিষ্ঠার একমাত্র কল্যাণকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা। কুরআন মজিদে যে দানের কথা উলে­খ করা হয়েছে তা ভিক্ষাদান নয় বরং তা বিত্তশালী ব্যক্তিদের সঞ্চিত অতিরিক্ত অর্থের একটি সুনির্দিষ্ট অংশ ন্যায্য দাবিদার বিত্তহীন ব্যক্তিদের আবশ্যিকভাবে প্রদান করা। আরবীতে যাকে যাকাত বলা হয়। কিন্তু যাকাত আমাদের দেশে ভিক্ষার পর্যায়ে অবনমিত। এতে যাকাতের শরয়ী বিধান মর্যাদাগত অবস্থানকে বিনষ্ট করা হয়।

ইসলামী রাষ্ট্রের দায়িত্ব হচ্ছে যাকাত সংগ্রহ করা এবং সংগৃহীত যাকাত শরীয়তের বিধান মোতাবেক সুষ্ঠু বন্টনের ব্যবস্থা করা। রাসূল করীম ও খুলাফায়ে রাশেদীন খিলাফত রাষ্ট্র কায়েম করে মানুষের সামনে ইসলামী অর্থনীতির বাস্তব নমুনা তুলে ধরেছেন এবং জনগণ তার সুফল ভোগ করেছে। একট সময় ছিল যখন খিলাফত রাষ্ট্রে যাকাত নেয়ার মত দরিদ্র মানুষ ছিল না। ইসলামী রাষ্ট্রের মূল কাঠামোই যে জনকল্যাণমূলক তা খিলাফতের সর্বজন স্বীকৃত সংজ্ঞা থেকে অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়।

রাষ্ট্র ব্যবস্থা যদি ইসলামী হয়, তাহলে ধনবান ব্যক্তিরা নিয়মিত ও সঠিকভাবে যাকাতের অর্থ হিসাব করে সুষ্ঠুভাবে বন্টন করবে, অন্নহীন অন্ন পাবে, দরিদ্র লোকদের শিক্ষার সুব্যবস্থা হবে, ফলে সমাজে খুন, রাহাজানি, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতিহসহ সকল নেতিবাচক কর্মকাণ্ড পরিহার করে সুস্থ স্বাভাবিক পথে ফিরে আসার রাস্তা পাবে, যুব সমাজ পাবে ঈমান দীপ্ত সম্ভাবনাময় সুন্দর জীবন।

ভিক্ষাবৃত্তি, পতিতাবৃত্তিসহ সকল ঘৃণ্য পেশা থেকে ফিরে এসে সুস্থ ধারার জীবন গড়ার দিশা পাবে নারী ও দারিদ্র জনশক্তি। অপসংস্কৃতির চর্চা বন্ধ হবে, চারিত্রিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি পাবে ইসলামী মূল্যবোধ বিশ্বাসী জনসাধারণ। সুদভিত্তিক দাতা প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য বিস্তরের রাস্তা সংকুচিত হওয়ার দরুন জাতি নিজস্বতা ফিরে পাবে।

বস্তুত দারিদ্রতা মানুষের সুষম চিন্তা শক্তিকে বিলুপ্ত করে। আল্লাহ বিমূখ করে তোলে। ধর্ম-কর্ম করতে মানুষ উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। এভাবে মানুষকে কুফরীর নিকটবর্তী করে দেয়। সুষ্ঠুভাবে যাকাত সংগ্রহ ও প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্রের এই কষাঘাত থেকে মানুষ মুক্তি পেতে পারে। অতএব, বিত্তবানরা নির্ভরযোগ্য কোন ইসলামী সংস্থা অথবা মসজিদ-ভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে যাকাত একত্রিত করে উপযুক্ত খাতে বণ্টনের ব্যবস্থা করে নেবে। আর যদি এ ধরনের কোন সংস্থাও না থাকে, তাহলে ধনী ব্যক্তিরা এককভাবে যাকাত বের করে শরীয়ত মোতাবেক বণ্টন করে দিবে।

ইসলাম চায় মানুষ নিজের শ্রমে জীবিকা নির্বাহ করুক। তাই বিনা প্রয়োজনে অন্যের কাছে হাত পাততে ইসলাম কঠোরভাবে নিষেধ করে দিয়েছে। মহানবী (দঃ) বলেছেন, “যে হাত পাতে অথচ তার নিকট এমন সম্বল রয়েছে যা তাকে এ থেকে বাঁচাতে পারে, সে নিশ্চয় আগুন সংগ্রহ করছে।(আবু দাউদ)। মহানবী (দঃ) আরো বলেছেন, “উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম। উপরের হাত দাতার হাত, নিচের হাত গ্রহীতার হাত।”- (সহীহ বুখারী, মুসলিম)। কাজেই ভিক্ষা বৃত্তি যাতে সমাজে না থাকে তার জন্য ইসলাম প্রিয় মানুষ যাকাত দেয়ার মাধ্যমে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

হযরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহঃ) শুধু আড়াই বছর ইসলামী রাষ্ট্রের শাসক ছিলেন। তার যুগে কোন ব্যক্তি অনেক সম্পদ নিয়ে তার কাছে উপস্থিত হলে তিনি তাকে বলতেন, ফকির-মিসকিন খুঁজে বের করে তা বণ্টন করে ফেল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই সেই ব্যক্তি নিজের সম্পদসহ ফিরে আসত এবং বলত, এই সম্পদ নেয়ার মতো কোন গরীব লোক আমি পেলাম না। কেননা হযরত ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহঃ) সুষম যাকাত সংগ্রহ ও বণ্টনের মাধ্যমে লোকদেরকে বিত্তশালী বানিয়ে দিয়েছেন। এভাবেই একথা প্রমাণিত হলো, মহানবীর প্রবর্তিত ইসলামী ব্যবস্থা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে অতীতে যেমন দারিদ্র বিমোচন সম্ভব হয়েছিল, আজো তা সম্ভব- এতে কোন সন্দেহ নেই। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে, শুধু যাকাত দিলে সম্পদের হক আদায় হয় না, বরং সম্পদের হক থেকেই যায়। যাকাত হলো সাদাকার সর্বনিম্ন সীমা যার নীচে সাদাকাহ, করার সুযোগ নেই।

পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছেঃ“নিশ্চয়ই আল্লাহ খরিদ করে নিয়েছেন মুমিনদের থেকে তাদের জান মাল -এর বিনিময়ে যে, অবশ্যই তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত।” -(সূরা আত তাওবাঃ ১১১)

ইমাম গাজ্জালী (রহঃ) -এর মতে যারা শুধুমাত্র হিসাব মত পুরাপুরিভাবে যাকাত আদায়ে তুষ্ট থাকে, তারা তৃতীয় স্তরের মুসলিম। তারা স্বভাবতই কৃপণ, ধন-সম্পদে মোহ তাদের পারলৌকিক জীবনের সুখকর উপকরণের প্রতি আকর্ষণকে অতীব দুর্বল করে দিয়েছে।

যাকাত দেয়াই ধনশালী ব্যক্তির একমাত্র অর্থনৈতিক দায়িত্ব নয়। সার্বিকভাবে হিসাব করে যাকাত দেয়ার পর কারো বলার অধিকার থাকতে পারে না যে, ‘আমি তো যাকাত দিয়েছি, আর কিছু দিতে পারবো না। বরং যাকাত আদায় করার পরও ধনীকে অনেক অর্থনৈতিক দায়িত্ব পালনের তাগিদ দেয়া হয়েছে। একজন মুসলমান হিসাবে জীবন-যাপন করতে সর্ববিধ দায়িত্ব পালন করা হবে যথার্থ।

ঐচ্ছিক সাদাকাহ প্রদানে আল্লহ স্বাধীনতা দিয়েছেন। শুধু এইটুকু পরীক্ষা করার জন্য যে আল্লাহর দেয়া সম্পদ থেকে আল্লাহর মুহাব্বতে বিত্তবানেরা সমাজে দারিদ্র বিমোচনের লক্ষ্যে ভূমিকা কী রাখে?

ইসলামে ফরযের মধ্যে যাকাত, ওশর ছাড়া রয়েছে কাফফারা, ফিদিয়া, মহর আর ওয়াজিবের মধ্যে সাদাকাতুল ফিতর, স্ত্রী সন্তানের খর্পোশ, কুরবানী, আকীকা, মানত। এই উভয় প্রকার ব্যতীত অসিয়ত, ওয়াক্ফ সহ সকল ঐচ্ছিক দান খয়রাত হচ্ছে নফল।

দারিদ্রের অভিশাপ থেকে মানব সমাজের মুক্তির লক্ষ্যে আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত যাকাত ভিত্তিক ইসলামী অর্থব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি অন্যান্য ওয়াজিব ও নফল সাদাকাহ প্রদান করে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে আমাদের সচেষ্ট হতে হবে। তবেই নির্মিত হবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত সোনার বাংলাদেশ।

লেখক:

মোহাম্মদ সাইদুল হক

সহকারি শিক্ষক পোয়াপাড়া সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়কাউখালী, রাংগামাটি পার্বত্য জেলা।

নিউজ ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:

শফিউল আলম, প্রধান সম্পাদক

সাহেদুর রহমান মোরশেদ, সম্পাদক ও প্রকাশক

মোবাইল- ০১৮১৮-১১৭৪৭০

ইমেইল : raozan786@gmail.com

raozanbarta24. com

Categories
মুক্তমত শিক্ষাঙ্গন

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারী : ১০শাতাংশ প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবীতে প্রধানমন্ত্রী সমিপে রাউজান শিক্ষক সমিতির স্বারকলিপি


শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন থেকে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যান ট্রাস্টের জন্য ১০শাতাংশ প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবীতে প্রধান মন্ত্রী সমিপে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাউজান উপজেলা শাখার স্বারকলিপি প্রদান করা হয় ।

২৫ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল দশটার সময় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাউজান উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ্ব রাউজান উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তৌহিদ তালুকদারকে তাদের দাবী সম্বলিত স্বারকলিপিটি প্রধান করা হয় ।

এসময়ে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি রাউজান উপজেলা শাখার সভাপতি কাঞ্চন কুমার বিশ্বাস সাধারন সম্পাদক জাগের হোসেন।

শিক্ষক নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন অমল দাশ, স্বপন কুমার বণিক,  আল্লামা কাজী হাবিবুল হোসাইন,আল্লামা ইয়াসিন হোসাইন হায়দরী, আল্লামা রফিকুল ইসলাম রেজভী।

নিউজ ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:

শফিউল আলম, প্রধান সম্পাদক

সাহেদুর রহমান মোরশেদ, 

সম্পাদক ও প্রকাশক

মোবাইল- ০১৮১৮-১১৭৪৭০

ইমেইল : raozan786@gmail.com

raozanbarta24. com