Categories
চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত ‘হালদা’ : “বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ” ঘোষণার বিষয়ে মত বিনিময় সভা

শফিউল আলম, রাউজান বার্তাঃ

 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে হালদা নদীকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রলালয় কর্তৃক ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ।

অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. খলিলুর রহমান।

সভায় যোগ দেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রুহুল আমিন, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন, বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না মাহমুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মনজুরুল কিবরিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মো. মোয়াজ্জম হোসাইন, মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নূরী, প্রফেসর ড. মো. আলী আজাদী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চট্টগ্রাম চেম্বারের উপসচিব মো. আলী আজগর, জেলা সমাজসেবা অফিসের ডিডি মো. শহীদুল ইসলাম, হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম, মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন চৌধুরী, রাউজান থারার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদ, এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান, চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড রাঙামাটি জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম, কৃষি ব্যাংক হাটহাজারী শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাসির উদ্দিন, সেভ দি হালদা রিভার এর সভাপতি লায়ন যাদব চন্দ্র শীল প্রমুখ।

জানা গেছে, হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করে সেখানে নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি নান্দনিক তোরণ ও নামফলক স্থাপন করবে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট।

১৯৭২ সালের ৪ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ’। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই মৎস্য অধিদফতর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সম্পর্কে গবেষণাধর্মী কাজ, ইলিশ সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রফতানি বাড়ানো এবং মান উন্নয়নে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

খাগড়াছড়ির রামগড়ের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জেলার রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের বৈলছড়ি নামক দুর্গম এলাকার হাসুকপাড়া পাহাড় থেকে হালদা নদীর উৎপত্তি হয়ে মানিকছড়ি, ফটিকছড়ি, রাউজান ও হাটহাজারি উপজেলার মধ্যদিয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিলিত হয়েছে।

অপার জীব বৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এ নদী জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। এছাড়া বিশ্বের একমাত্র এই জোয়ার-ভাটার নদী থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়।

হালদা নদীর উৎস, সম্পদ, ঐতিহ্য এবং অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনা করলে এ নদী বাংলাদেশের জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত। ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হলে হালদা নদী নতুন প্রাণ ফিরে পাবে এবং মৎস্য সম্পদসহ জীব বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

রাউজানে মৎস বিভাগের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

 রাউজান উপজেলা মৎস অধিদপ্তরের উদ্যোগে রাউজানে সরকারী পুকুর, জলাশয়, ধর্মীয় প্রতিষ্টানের পুকুরে হালদা নদীর মাছের পোনা অবমুক্তকরা হয়। 

 ৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুরে রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে ফকির তকিয়া পিংক সিটির পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার মাধ্যমে রাউজানে ২শত ২৩ কেজি মাছের পোনা অবমুক্তকরনের উদ্বোধন করা হয়। 

পিংক সিটি পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করার সময়ে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন  রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যোন এহেসানুল হায়দার বাবুল।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ, রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। 

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ, উপজেলা মৎস সম্প্রসারন কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন ।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান

কদলপুর এলাকার দুই গরুচোর গরু সহ জনতার হাতে আটক

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

গরু সহ পালিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে দুই চোর আটক হয়েছে। 

আটক দুই গরু চোর হলেন, রাউজান উপজেলার কদলপুর ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মৃত আবদুল সালাম প্রকাশ সালাম বৈদ্যের পুত্র মোঃ জসিম (৫০) একই এলাকার আবুল কালামের পুত্র আবদুল মন্নান (৪৫)।

জানাযায়, গত ২৮ জুলাই দিবাগত রাতে রাউজান উপজেলা সীমান্তবর্তী কাউখালী উপজেলার ডিলাইট এলাকার দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় রাউজানের পুর্ব রাউজান এলাকার আবদুল মোমিনের খামার বাড়ীর গোয়াল ঘর থেকে একটি ষাড় চুরি করে দুর্গম পাহাড়ী এলাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময়ে আবদুল মোমিনের খামার বাড়ীতে থাকা তার পুত্র মোজাহিদ টের পেয়ে পাশ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দ্বাদের ফোন করে বিষয়টি জানান । 

মোজাহিদ ও এলাকাবাসী ধাওয়া করে রাউজান উপজেলা সীমান্তবর্তী চিকনছড়া আবদুল রশিদ তালুকদারের খামার বাড়ী এলাকা থেকে চেরাই গরু সহ দু চারকে আটক করে। 

চোরাই গরু সহ আটক দু চোরকে জনতা কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ইউনিয়নের মেম্বার রকি মারমার নিকেট সোর্পদ করে বলে মেম্বার রকি মার্মা জানান ।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান

রাউজান আইসোলেশন সেন্টারের জন্য মানু বড়ুয়া ও তার প্রবাসী পুত্রের ৩লাখ টাকা ও চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজান সুলতানপুর ৩১ শয্যা হাসপাতালটি তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর উদ্যোগে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশন সেন্টার হিসেবে চালু করছেন। 

তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর আহবানে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম নগরীর চান্দঁগাও বড়ুয়া পাড়া এলাকার মহিয়সি নারী মানু বড়ুয়া তার বেলজিয়াম প্রবাসী পুত্র রিপন বড়ুয়া, কাতার প্রবাসী পুত্র জিকু বড়ুয়া, আইসেলোশন সেন্টারের জন্য ৩ লাখ টাকা, অক্সি মিটার, ও টেম্পেচার মেশিন, ৫০ পিচ মাক্স প্রদান করেন। 

 ১ জুলাই বুধবার দুপুরে মহিয়সি নারী মানু বড়ুয়া ও তার প্রবাসী পুত্রের অনুদানের টাকা, চিকিৎসা সামগ্রী, মাক্স মানু বড়ুয়ার প্রেরিত প্রতিনিধি মঈন উদ্দিন, জাহাঙ্গীর আলম রাউজান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজের হাতে তুলে দেয়। 

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জিল্লুর রহমান মাসুদ, সেন্ট্রাল বরেয়জ অব রাউজানের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ইমতিয়াজ জামাল নকিব, যুবলীগ নেতা আলমগীর ।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান

তিন উপজেলার মানুষের কষ্ট লাঘব হবে হালদা নদীতে ব্রীজটি হলে, প্রকল্প নেওয়া হলেও এখনো ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু হয়নি

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

চট্টগ্রাম জেলার রাউজান, হাটজাহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলার হাজার মানুষ রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটে জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে চলাচল করে। ঐ এলাকায় হালদা নদীর উপর ব্রীজ নিমানের জন্য প্রকল্প নেওয়া হলে ও এখনো ব্রীজ নির্মান কাজ শুরু হয়নি। 

চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া, ছিপাতলী, গুমানমর্দন, রাউজান উপজেলার নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের নদীম পুর, পশ্চিম ফতেহ নগর, বড়ুয়া পাড়া, ফটিকছড়ি উপজেলার জাফত নগর, তেলপারই, এলাকার হাজার মানুষ প্রতিদিন রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়রেনর পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হালদা নদী নৌকায় করে পার হয়ে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটে উঠে হাটহাজারী উপজেলা সদর, সরকার হাট চট্টগ্রাম নগরীতে যাতায়াত করে। এছাড়া ও তিন উপজেলার হাজার শিক্ষার্থী প্রতিদিন নৌকায় করে হালদা নদী পার হয়ে লাঙ্গলমোড়া উচ্চ বিদ্যালয়, হাটহাজারী সরকারী কলেজ, নোয়াজিশপুর অদুদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা নোয়াজিশপুর ফতেহ নগর অদুদিয়া উচ্চ বিদ্যালয় আসা যাওয়া করে। 

শুস্ক মৌসুমে হালদা নদীতে পানির শ্রোত কম থাকায় নৌকায় করে হালদা নদী পার হয়ে হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীরা চলাচল করলে ও বর্ষার মৌসুমে প্রবল বর্ষন হলে হালদা নদী দিয়ে পাহাড়ীূ ঢলের প্রবল শ্রোত হলে তিন উপজেলার বাসিন্দ্বা ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে নৌকায় করে হালদা নদী পার হয়ে চলাচল করতে হয়। 

তিন উপজেলার হাজার হাজার মানুষ ও শিক্ষার্থীদের দুভোর্গ লাঘব করতে রেলপথ মন্ত্রনালয় সর্ম্পকিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি  রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটের মধ্যবর্তী স্থানে হালদা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান করার জন্য প্রচেষ্টা চালায়। 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের উধত্বন কর্মকর্তা ও প্রকৌশলী সরেজমিনে এস কয়েকদপে ব্রীজ নির্মানের স্থান পরিদর্শন করেন। পরবর্তী ব্রীজ নির্মান করার জন্য সয়েল টেষ্ট করা হয়। রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটের মধ্যবর্তী স্থানে হালদা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান কাজের প্রকল্প অনুমোধনের জন্য সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হলে ও সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ায় ব্রীজ নির্মান কাজের প্রকল্প এখনো অনুমোদন পায়নি বলে জানান রাউজান উপজেলা প্রকৌশলী আবুল কালাম । 

রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটের মধ্যবর্তী স্থানে হালদা নদীর উপর ব্রীজ নির্মান করা হলে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান ,টিকছড়ি, হাটহাজারী উপজেলার হাজার হাজার মানুষের চরম দুভোর্গ লাঘব হবে বলে অভিমত প্রকাশ করেন হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গলমোড়া এলাকার বাসিন্দা ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম। 

রাউজানের নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর এলাকা থেকে হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গল মোড়া ইউনিয়নের কানুর হাটের মধ্যবর্তী স্থানে হালদা নদীতে নৌকায় করে লোকজন নদীর এপার থেকে ওপারে পার করে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত নৌকার মাঝি নুরুল আলম জানান ৩০ হাজার টাকা দিয়ে ঘাট ইজারা নিয়ে হালদা নদীতে নৌকায় করে লোকজন পার করেছি। প্রতিজন থেকে ১০ টাকা করে ঘাট পারাপারে জন্য নেওয়া হয়।স্কুল মাদ্রাসা ও কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৫ টাকা করে পারাপারের জন্য নেওয়া হয়। করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এর কারনে শিক্ষা প্রতিষ্টান বন্দ্ব করে দেওয়ায় গত কয়েকমাস ধরে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক শিক্ষিকেরা চলাচল করছেনা তবে প্রতিদিন তিন উপজেলার লোকজন চলাচল করছে বলে জানান নৌকার মাঝি নুরুল আলম ।  

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

হালদা নদীতে অভিযান চারটি যান্ত্রিক নৌযান ধংস

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

হালদার মা মাছ, ডলফিন, জীব বৈচিত্র রক্ষায় নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে ২৪ জুন বুধবার বিকাল ৩ টা থেকে সন্দ্ব্যা ৬ টা পর্যন্ত  সময়ে  RAB-7এর সহায়তায় রাউজানের পশ্চিম গহিরা সর্তার ঘাট থেকে হালদা নদীর মোহনা পর্যন্ত স্প্রীড বোট নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

অভিযান চলাকালে হালদা নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে নদীতে চলাচলকারী ৪টি যান্ত্রিক নৌযান আটক করে। ৪টি যান্ত্রিক নৌযান আটক করার পর যান্ত্রিক নৌযান ধংস করে দেয় রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

নদীতে চলাচলকারী ৩টি যান্ত্রিক নৌযানের মালিকেরা তাদের যান্ত্রিক নৌযান থেকে ইঞ্জিন খুলে নিয়ে যায়। হালদায় আর কোনদিন যান্ত্রিক নৌযান চালাবেনা বলে অঙ্গিকার প্রদান করে বলে জানান রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

হালদা নদীতে অভিযান ৬টি যান্ত্রিক নৌযান একটি ড্রেজার ধংস

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে তিনটি বালু ভর্তি যান্ত্রিক নৌযান, তিনটি বালু পরিবাহনকারী খালি যান্ত্রিক নৌযান সহ ৬টি যান্ত্রিক নৌযান ও একটি ড্রেজার ধংস করে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

 ৯ জুন মঙ্গলবার  বিকালে এই অভিযান পরিচালনা করা হয় । অভিযান চলাকালে তিনটি বালু ভর্তি যান্ত্রিক নৌযান, তিনটি বালু পরিবাহনকারী খালি যান্ত্রিক নৌযান সহ ৬টি যান্ত্রিক নৌযান ও একটি ড্রেজার ধংস করে হালদা নদীতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। 

 ৯ জুন মঙ্গলবার বিকালে রাউজানের পশ্চিম গহিরা ব্রীক ফিল্ড এলাকায় হালদা নদী দিয়ে যান্ত্রিক নৌযান করে বালু পরিবহন করা একটি যান্ত্রিক নৌযান ও একটি ড্রেজার ধংস করেন দেয় রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, হালদার মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছি । ৯ জুন মঙ্গলবার বিকালে হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে  ৬টি যান্ত্রিক নৌযান ১টি ড্রেজার  ধংস করেছি। প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে মা মাছের প্রজনন রক্ষা ও ডলফিন সহ বিভিন্ন প্রজাতির জৈব বৈচিত্র রক্ষায় হালদা নদীতে মাছ শিকার ও যান্ত্রিক নৌযান চলাচল নিষিদ্ব করা হয়েছে। সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হালদা নদী থেকে বালু উত্তোলন, উত্তোলন করা বালু যান্ত্রিক নৌযানে পরিবহন, জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করায় হালদা নদীতে ডলফিন, মা মাছ মারা যায়। হালদা নদীর মা মাছ সহ ডলফিন রক্ষায় হালদা নদীতে গত মে মাসে অভিযান চালিয়ে হাটহাজারীর মার্দ্রাসা ইউনিয়নের আমতোয়া, মেখল ইউনিয়নের রহুল্ল্রাপুর এলাকায় নদী থেকে আটক করে বালু পরিবহনকারী দুটি যান্ত্রিক নৌযান ধংস করে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ । 

 ৮ জুন সোমবার বিকালে রাউজানের পশ্চিম গহিরা সর্তার ঘাট এলাকা থেকে স্প্রীড বোট নিয়ে আনসার বাহিনীর সহায়তা নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের পশ্চিম ফতেহ নগর পর্যন্ত অভিযান করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহিী অফিসার জোনায়েদে কবির সোহাগ। হাটহাজারীর লাঙ্গলমোড়া এলাকায় ১টি যান্ত্রিক নৌযানধংস করে পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয় । রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, হালদার মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছি । গতকাল ৯ জুন মঙ্গলবার বিকালে হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে ৬টি যান্ত্রিক নৌযান ১টি ড্রেজার ধংস করেছি ।

৯ জুন মঙ্গলবার আনসার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় নদীতে অভিযান চলাকালে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ, উপজেলা মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর ।

Categories
চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

হালদা নদীতে অভিযান একটি যান্ত্রিক নৌযান ধংস

শফিউল আলম,  রাউজানবার্তা :

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মা মাছের প্রজনন রক্ষায় মৎস মন্ত্রনালয় হালদা নদীতে নাজির হাট থেকে হালদা নদীর মোহনা কালুর ঘাট ৪৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ নদীতে সারা বৎসর মাছ শিকার নিষিদ্ব করে। হালদা নদীর মা মাছ সহ জৈব বেচিত্র রক্ষায় হালদা নদীতে যান্ত্রিক নৌযান চলাচল নিষিদ্ধ  করা হয়। 

হালদা নদীর সকল বালু মহল ইজারা দেওয়া বন্দ্ব করে দেয় চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার, করছে । হালদা নদীর মোহনা থেকে শুরু করে কচুখাইন, মোকামী পাড়া, সার্কদা, উরকিরচর, ছায়ার চর, হালদার চর এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত ড্রেজার ও পাওয়ার পাম্প দিয়ে বালু উত্তোলন করে যান্ত্রিক নৌযান ভর্তি করে হালদা নদী দিয়ে রাউজান হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় নিয়ে গিয়ে যাচ্ছে। হালদা নদীতে যান্ত্রিক নৌযান ও ড্রেজার চলাচল, যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করায় হালদা নদীর মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে ।। হালদা নদীতে যান্ত্রিক নৌযান ও ড্রেজার চলাচল, যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করায় ড্রেজার ও যান্ত্রিক নৌযানের আঘাতে ও মাছ ধরার জালে আটক হয়ে গত ২ বৎসরে ২৫টি ডলফিন মারা যায়। সর্ব শেষ গত ২৪ মে রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মইশকরম এলাকায় হালদা নদীতে একটি মৃত ডলফিন উদ্বার করে রাউজান উপজেলা প্রশাসন। হালদা নদীতে হালদা নদীতে যান্ত্রিক নৌযান ও ড্রেজার চলাচল, যান্ত্রিক নৌযান চলাচল, জাল ও বড়শী দিয়ে মাছ শিকার করায় ডলফিন ছাড়া ও মা মাছ মারা গেছে। 

২৮মে হালদা নদীতে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ আনসার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে হালদা নদীতে হাটহাজারীর সীমনায় রুহুল্লাপুর সর্তার ঘাট এলাকায় একটি বালু বহনকারী যান্ত্রিক নৌযান ধংস করে। যান্ত্রিক নৌযানটি থেকে দুটি পাওয়ার পাম্প খুলে নদীতে ফেলে দেয় ।যান্ত্রিক নৌযানটি আগুন লাগিয়ে দিয়ে ধংস করেন । 

এব্যাপারে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, হালদা নদীর ডলফিন ও মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র রক্ষায় রাউজানের সাংসদ এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াছ হোসেনের নির্দেশে ও পরামর্শে হালদা নদীতে অভিযান চালিয়ে যান্ত্রিক নৌযান ধংস করা হয়েছে। হালদা নদীর ডলফিন ও মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র রক্ষায় প্রতিনিয়ত অভিযাণ চলবে । 

হালদা নদীতে অভিযান চলাকালে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ, রাউজান উপজেলাি সিনিয়র মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর, আইডি এফের ম্যানেজার রাশেদুল আলম । 

Categories
আরো… চট্টগ্রাম রাউজান সরাদেশ

হালদা নদীতে মানুষের মল মুত্র, ডেইরী, পোল্টি ফার্মের বর্জ্য ফেলায় দুষিত হচ্ছে পানি

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

হালদা নদীতে মানুষের মল মুত্র, ডেইরী, পোল্টি ফার্মের বর্জ্য ফেলায় দুষিত হচ্ছে পানি । প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে গত ২৩ মে মা মাছ ডিম ছেড়েছে । হালদা নদী থেকে ২শত ৮০টি নৌকা নিয়ে রাউজান হাটহাজারীর ৬শত ১৬ জন ডিম সংগ্রহকারী ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি মা মাছের ডিম সংগ্রহ করেছে । হালদা নদী থেকে সংগৃহিত মা মাছের ডিম থেকে রেনু ফুটানোর পর ডিম সংগ্রহকারীরা রেনু বিক্রয় শুরু করেছে। 

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর পানি দুষন করার দায়ে এশিয়ান পেপার মিল সহ কয়েকটি শিল্প কারখানার বিরুদ্বে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর। 

হালদা নদী সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায় হালদা নদীর তীরে গড়ে উঠা রাউজানের কচুখাইন, মোকামী পাড়া, দেওয়ানজি ঘাট, হারপাড়া, মাইশকরম, আবুর খীল, খলিফার ঘোনা, আজিমের ঘাট, জলদাশ পাড়া, কাসেম নগর, গোলজার পাড়া, পশ্চিম বিনাজুরী, দক্ষিন গহিরা, সোনাইর মুখ, জামতল, দক্ষিন গহিরা, পশ্চিম গহিরা অংকুরী ঘোনা, মঘাশাস্ত্রি বড়ুয়া, পশ্চিম গহিরা বদুর ঘোনা, গহিরা কোতয়ালী ঘোনা, কাজী পাড়া, ইিদ্বরা ঘাট,  পশ্চিম ফতেহ নগর, চট্টগ্রাম নগরীর মোহরা ও হাটহাজারীর মদুনাঘাট, মার্দ্রাসা, দক্ষিন মার্দ্রসা, গড়দুয়ারা, মেখল হালদা নদীর তীরে গড়ে উঠা, বসতবাড়ী, পাকা ভবন, কলোনীর বাসি›দ্বাদের ব্যবহারের শৌচাগারের মল মুত্র পাইপ দিয়ে হালদা নদীর পানিতে ফেলছে। 

হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত তেলপাইর খাল, হাতিজোড়া খাল, সর্তার খাল, কেউচিয়া খাল, সোনাইর খাল, ডাবুয়া খাল, খাসখালী খাল, কলমপতি খাল, রাউজান খাল, মুখছড়ি খাল, গর্জনিয়া খাল, লাঠিছড়ি খাল, বেরুলিয়া খাল, কাগতিয়া খাল, মগদাইর খাল, উভলং খাল, কাঠাল ভাঙ্গা খাল, বইজ্যা খালী খাল, হৃদ খাল, কালচাইন্দা খাল, বুড়ি সর্তা খাল, বোয়লিয়া খাল, খন্দকিয়া খাল, পোড়ালীর খালের তীরে গড়ে উটা কসত বাড়ী, পাকা ঘরের বাসি›দ্বাদের ব্যবহারের শ্যৌচাগারের মল মুত্র পাইপ দিয়ে খালের পানিতে ফেলানো হচ্ছে । খালের পানি দিয়ে শ্যেচাগারের মল মুত্র হালদা নদীর পানির সাথে মিশছে ।

এছাড়ার ও হালদা নদীর তীরে ও হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত খালের পাড়ে গড়ে উঠা ডেইরী ফার্ম ও পোল্টি ফার্মের বজ্য প্রতিদিন হালদা নদীর পানির সাথে মিশছে । রাউজানের মোকামী পাড়া, সার্কদা, পশ্চিম আবুল খীল এলাকায় ইটের ভাটার বিষাক্ত বজ্য ও ইটের ভাটার শ্রমিকের ব্যবহারের শৌচাগারের মল মুত্র প্রতিনিয়ত হালদা নদীর পানির সাথে মিশছে । হালদা নদীর তীর ও হালদা নদীর সাথে সংযুক্ত খালের পাড়ের বাসিন্দ্বারা তাদের ব্যবহারের জন্য স্বাস্থ্য সম্মত শৌচাগার নির্মান না করে ঘরের শৌচাগারের মল মুত্র পাইপ দিয়ে হালদা নদীর পানিতে ফেলানো হচ্ছে । প্রাকৃতি মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে মা মাছের প্রজনন ছাড়া ও প্রতিদিন হালদা নদীর পানিতে হাজার হাজার মানুষ গোসল করে, হালদা নদীর পানি দিয়ে রান্নার কাজ করে। হালদা নদীর পানিতে কাপড় ধোয়ার কাজ করেন । হালদা নদীর পানি শোধনাগারের মাধ্যমে হাটহাজারীর মদুনাঘাট, চট্টগ্রাম নগরীর মোহরা এলঅকায় দুটি শোধনাগারের মাধ্যমে চট্টগ্রাম ওয়াসা হালদা নদীর পানি চট্টগ্রাম নগরীতে সরবরাহ করে। চট্টগ্রাম ওয়সার সরবারাহ করা হালদা নদীর পানি চট্টগ্রাম নগরীর বিপুল পরিমান বাসিন্দ্বা পান করে ও গোসল, রান্নাবানা কাপড় আসবাব পত্র ধোয়ার কাজ করেন । হালদা নদীর পানিতে প্রতিদিন মানুষের মল মুত্র ও ডেইরী ফার্ম ও পোল্টি ফার্মের বিষাক্ত বজ্য পড়ে পানি দুষন হচ্ছে । 

দুষনযুক্ত হালদা নদীর পানি পান করে ও ব্যবহার করায় বিভিন্ন প্রকার রোগে আক্রান্ত হওয়ার শংকা রয়েছে।  নদীর মা মাছ সহ জৈব বৈচিত্র হুমকির মুখে পড়েছে । বিষাক্ত বজ্য পড়ে পানি দুষন হলে ও সংশ্লিষ্ট কতুপক্ষ নিরবতা পালন করছে ।  

এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, হালদা নদীর পানিতে মল মুত্র ও ডেইরী ফার্ম, পোল্টি ফার্মের বজ্য ফেলে পানি দুষনকারীদেও বিরুদ্বে অভিযান চালানো হবে শীঘ্রই ।

Categories
চট্টগ্রাম সরাদেশ

হালদা নদীর মা মাছের রেনু বিক্রয় শুরু, ৫০ কোটি টাকা আয় করবে ডিম সংগ্রহকারীরা

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে গত ২৩ মে মা মাছ ডিম ছাড়ে। রাউজান হাটহাজারীর ৬শত ১৬ জন ডিম সংগ্রহকারী ২শত ৮০ টি নৌকা নিয়ে হালদা নদী থেকে ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি ডিম সংগ্রহ করেন। 

ডিম সংগ্রহ করার পর ডিম সংগ্রহকারীরা রাউজানের দুটি হ্যচারী ও হাটহাজারীর তিনটি হ্যচারী, নদীর তীরে খনন করা মাটির কুয়ায় মা মাছের ডিম থেকে রেনু ফুটানের কাজ শুর করেন। 

মা মাছের ডিম থেকে রেনু ফুটানের পর গত ২৬ মে মঙ্গলবার থেকে ডিম সংগ্রহকারীরা রেনু বিক্রয় শুরু করে। দেশের বিভিন্ন এলাকা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মৎস হ্যচারীর মালিক, মাছ চাষীরা এসে হালদা নদীর মা মাছ থেকে উৎপাদিত রেনু ক্রয় করছে। 

হালদা নদীর মা মাছৈর রেনু ক্রয় করতে আসা মৎস হ্যচারীর মালিক ও মাছ চাষীরা রেনু ক্রয় করতে আসা ও রেনু ক্রয় করে যাতায়াতের জন্য রাউজান উপজেলা ও হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন তাদের যানবাহন চলাচলে অনুমতি দিয়েছে বলে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ জানান। 

রাউজান উপজেলা সিনিয়র মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর বলেন, হালদা নদীর মা মাছের সংগৃহিত ডিম থেকে উৎপাদিত রেনু প্রতি কেজি ৫০ হাজার টাকা থেকে ৬০ হাজার টাকা করে বিক্রয় করছে ডিম সংগ্রহকারীরা। এবারে হালদা নদীর মা মাছের সংগৃহিত ডিমের পরিমান ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি। ২৫ হাজার ৫শত ৩৬ কেজি ডিম থেকে ১০ হাজার কেজি রেুনু উৎপাদিত হবে। প্রতি কেজি রেনু আনুপাতিক হারে ৫০ হাজার টাকা করে বিক্রয় করা হলে ১০ হাজার রেনু বিক্রয় করে ৫০ কোটি টাকা আয় করবে ডিম সংগ্রহকারীরা। 

হালদা নদীর মা মাছের ছাড়া ডিম খেকে উৎপাদিত রেনু ক্রয় করে নিয়ে গিয়ে মৎস হ্যচারীর মালিক ও মাছ চাষীরা কয়েক হাজার কোটি টাকার মাছ উৎপাদন করবেন । হালদা নদীর রেনু বিক্রয় করার সময়ে হালদা নদীর রেনুর সাথে অন্য জায়গা থেকে আনা মাছের রেনু মিশিয়ে যাতে বিক্রয় করতে না পেরে এ ব্যাপারে রাউজান উপজেলা ও হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারী রেখেছে বলে জানান, রাউজান উপজেলা মৎস সম্প্রসারণ অফিসার আবদুল্ল্যাহ আল মামুন ।