Categories
রাউজান

রাউজানে কৃষকের পাকা ধান কেটে দিলেন গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)

এম বেলাল উদ্দিন, রাউজানবার্তা :

 এবার গরিব কৃষকের পাকা ধান কেটে দিলেন ইউনিয়ন পরিষদের নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)।

বৃহস্পতিবার দুপুরে এ চিত্র দেখা যায় রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের আমিরহাট বাজারের উত্তরপাশে হলদিয়া ভিলেজ সড়কের পশ্চিমে।

দেখা যায় হলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্ব প্রাপ্ত গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) মহিলা-পুরুষ উভয়েই মিলে এক গরিব কৃষকের পাকা ধান কেটে দিচ্ছে। এর আগে গত মঙ্গলবার ৫০যুবক কেটে দিয়েছিল একই ইউপির কমবইল্ল্যা ঠিলার রিক্সা চালক ইদ্রিসের ২একর জমির পাকা ধান।

বৃহস্পতিবার পাকা ধান কাটা কর্মসূচীতে অংশ নেন বাংলাদেশ গ্রাম পুলিশ কর্মচারী ইউনিয়নের রাউজান উপজেলা সেক্রেটারী মুহাম্মদ মমতাজ উদ্দীন। এছাড়া অংশ গ্রহন করেন হলদিয়া ইউপির গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার) মুহাম্মদ মজাহেরর, শাহানুর বেগম, শিপলা মাহাজন, মুহাম্মদ মাসুদুল আজম, মুহাম্মদ শাহজাহান, দীল মুহাম্মদ, আবদুল কাদের, মুহাম্মদ আনিস, মুহাম্মদ জুয়েল।

জানাগেছে ইউনিয়নের ৬নং ওয়াডের দইল্ল্যা ঠিলার কৃষক আলী আজগর, সিরাজুল হক ও মামুনের ৬০শতক জমিনের পাকা ধান কেটে দিয়েছে ১০গ্রাম পুলিশ।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্বা শফিকুল ইসলাম বলেন এ মুহুর্তে গরিব কৃষকরা দিন পাল্লা শ্রমিক দিয়ে ধান কাটাতে পারছেনা। তাই কৃষকদের ধান গুলো কেটে দিয়ে গ্রাম পুলিশ (চৌকিদাররা)  স্বেচ্ছায় যে মহৎ কাজ উপহার দিল আমি তাদের এ কাজে সত্যিই অভিভুত। তাদের ধন্যবাদ জানাই।তিনি বলেন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগের ভাইয়েরা সারাদেশে গরিব অসহায় কৃষকদের পাকা ধান কেটে বিরল ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।

Categories
রাউজান

আবারো ধস রাউজান রাঙ্গামাটি মহাসড়কে হালদা সেতুর সুরক্ষা ব্লক

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা:  

ঃচট্টগ্রাম-রাঙামাটি মহাসড়কে হালদা নদীর উপর নির্মিত রাউজান ও হাটহাজারী সংযোগ ‘হালদা সেতু’র গোড়ায় ধসে যাওয়া সুরক্ষা ব্লকের সংস্কার কাজের ৬ মাস যেতে না যেতে আবারো ফাটল ও ধস দেখা দিয়েছে। 

হালদা সেতু সুরক্ষা ব্লক ধসে পড়ায় হালদা সেতুটি মারাত্বক ঝুকিপুর্ণ হয়ে উঠেছে। চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি মহাসড়কের রাউজান পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম গহিরা ও হাটহাজারী উপজেলার রুহুল্ল্্পুর এলাকার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হালদা নদীর উপর নির্মিত হালদা সেতুর গোড়ালী রক্ষা করার জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগ গত বৎসরের বর্ষা মৌসুমে সেতু সুরক্ষা ব্লকের ধস হওয়া পর ৩০ লাখ টাকা ব্যায়ে সুরক্ষা ব্লক বাধ নির্মান করে। 

৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে হালদা নির্মিত হালদা সেতুর সুরক্ষা ব্লকটি নির্মানের ৬ মাসের মধ্যে ফাটল দিয়ে ধসে পড়ে। এতে হালদা সেতুটি মারাত্বক ঝুকিপুর্ণ হয়ে পড়েছে। 

চট্টগ্রাম রাঙ্গামাটি সড়কের হালদা সেতুর উপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত যাত্রীবাহি বাস, শত শত পন্যবাহী ট্রাক, শত শত সিএনজি অটোরিক্সা, কার-মাইক্রোবাস, জিপ চলাচল করে। হালদা সেতুটির সুরক্ষা বাধ ধসে পড়ায় যে কোন সময়ে সেতুটি ভেঙ্গে বড়ধরনের দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়ে জানমালের ক্ষয়ক্ষতির আশংকা দেখা দিয়েছে । 

হালদা একটা খরস্রােতা নদী, সুরক্ষা ব্লক কোনোভাবেই রাখা যাচ্ছে না। সংস্কার কাজ না করলে পুরো সেতুটিই চলে যেত।  সড়ক ও জনপদ বিভাগ নদী শাসন করে না, পানি উন্নয়ন বোডর্কে পুরো এলাকাটায় ব্লক ফিটিং করার জন্য জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগ। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সেতুর পূর্বপার্শ্বে ভাঙন সৃষ্টি হওয়ায় পাথর ব্লক ধসে নদীতে পড়ে গেছে । পাথর ব্লকের ধসের কারণে উপরে পেলেস্তারে ফাটল ও আগামী বর্ষা মৌসুমে সেতুটি হুমকিরমুখে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে।  

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হলদা সেতুর গোড়ায় সুরক্ষা ব্লক সরে যাওয়া স্থানে ধস ঠোকাতে লোহার পাইপ স্থাপন ও পাথর ব্লক বসানোর মাধ্যমে সংস্কার করা হলে ও সুরক্ষা ব্লক ও বাধ ধসে নদীতে পড়ে গেছে। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, গত বর্ষা মৌসুমে সেতু সুরক্ষা ব্লকের ধস হওয়া পর ৩০ লাখ টাকা ব্যায়ে সংস্কার করেছিল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। গত ২০১৯ সালের ১৪ আগস্ট থেকে সেতু রক্ষায় সংস্কার কাজ শুরু করে ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে কাজ শেষ হয়। 

এই প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম সড়ক ও জনপদ (সওজ)’র নির্বাহী প্রকৌশলী জুলফিকার আহমেদ  বলেন, গত বর্ষা মৌসুমে প্রবল স্রােতে হালদা নদীর ভাঙনে সেতুর নিচে এপ্রোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে এটি সংস্কার করা হয়।  আমরা বল্লি গেড়ে এটি রাখার চেষ্টা করেছি। এটা কোনোভাবেই রাখা যাচ্ছে না। আমরা বিষয়টি রাঙ্গামাটি বিভাগের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডেকে জানিয়েছি। পুরো এলাকায় ব্লক ফিটিং করতে হবে। আমাদের বিভাগতো নদী শাসন করে না, এতবড় কাজ আমাদের পক্ষে সম্ভব না। 

৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে সংস্কার কাজ ৩ মাসও টিকলো না কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা সংস্কার কাজ না করলে সেতুসহ পুরো জায়গাটা নদী গর্ভে চলে যেতো। আগামী বর্ষা মৌসুমে হুমকির মুখে পড়বে, তাই পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমরা জানিয়েছি। উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-রাঙামাটি (এন-১০৬) জাতীয় মহাসড়কে রাউজান-হাটাহাজারী সংযোগ হালদা সেতুটি ২০১৫ সালের ১৩ জুলাই আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাউজানের সাংসদ এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী। সেতুটির দৈর্ঘ্য ১০২ মিটার, প্রস্থ ১০.৪ মিটার।  

Categories
রাউজান

রাউজানে কৃষকের বোরো ধান কেটে দিলেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগের নেতা কর্মীরা

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজানের সাংসদের নির্দেশে কৃষকের বোরো ধান কেটে দিলেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগের নেতা কর্মীরা।

করোনা ভাইরাসের কারনে কৃষি শ্রমিক পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। ফসলী জমিতে বোরো ধান পেকেছে । কৃষকের কাছে টাকা না থাকায় ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে ধান কাটার মৌসুমে ধান কাটার জন্য কৃষি শ্রমিক না আসায় রাউজানের হলদিয়া ইউনিয়নের কৃষক ইদ্রিস মিয়ার ফসলী জমিতে পাকা বোরো ধান কাটতে পারছেনা।  

হলদিয়া খোলোযাড় সমিতির ব্যবস্থাপনায় হলদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক জিয়াউল হক চৌধুরী সুমনের প্রচেষ্টায় শতাধিক নেতা কর্মী কৃষক ইদ্রিস মিয়ার ফসলী জমিতে গিয়ে পাকা বোরো ধান কেটে তার ঘরে তুলে দেয় । 

হলদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক জিয়াউল হক চৌধুরী সুমন বলেন কৃষকের দুঃসময়ে সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী ও তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর নির্দেশে নেতা কর্মীদের নিয়ে কৃষকের পাকা ধান কেটে তাকে সহায়তা করা হয়েছে ।

Categories
রাউজান

ভয়াল ২৯ এপ্রিল : সাংবাদিক শফিউল আলমের পুত্র মহিউদ্দিনের ২৯ তম মৃত্যুবার্ষিকি

রাউজানবার্তা প্রতিবেদক :

রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিউল আলমের পুত্র মহিউদ্দিন ৭বৎসর বয়সে ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল  প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় চলাকালে সাংবাদিক শফিউল আলমের পৈতৃক নিবাস রাউজানের মোহাম্মদপর হাড়ী চান্দ কাজীর বাড়ীতে ঘরচাপায় মৃত্যু বরন করেন। সাংবাদিক শফিউল আলমের পুত্র মহিউদ্দিনের ২৯তম মৃত্যুবাষিকিতে সাংবাদিক শফিউল আলম ও তার স্বজনেরা ফাতেহা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ।

ঘুনিঝড়ে প্রিয় পুত্রের মুত্যুর ঘটনা নিয়ে সাংবাদিক শফিউল আলমের প্রতিক্রিয়া  

২৯ এপ্রিলের ঘুর্নিঝড়ের ঘটনা আমাকে এখনো কাদাঁয় : আমার ৭ বৎসর বয়সের  ২য় পুত্র মহিউদ্দিন ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল বিকালে আমার সাথে বাড়ী থেকে রাউজানের রমজান আলীর হাটে গিয়ে ঘুরে আসে । ঘরে এসে আমি আসর ও মাগরিব নামাজ আদায় করার সময়ে আমার পাশে দাড়িয়ে নামাজ পড়ে । রাতে প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড় শুরু হলে আমি আমার বাড়ী রাউজানের মোহাম্মদপুর হাড়ী চান্দ কাজীর বাড়ীর ঘর থেকে বের হয়ে প্রতিবেশীদের ঘর বিধস্ত হওয়ার দৃশ্য দেখছিলাম । 

এই সময়ে আমার পুত্র আমার ঘরে ঘুমিয়ে ছিল। হঠাৎ আমার মাতা মরহুমা দেলোয়ারা খাতুনের কান্নার শব্দ শুনে আমি ঘরে ফিরে যায়। আমার মাতা মরহুমা দেলোয়ারা খাতুন আমকে জড়িয়ে ধরে কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন তুমি মানুষের সহায়তা করতে ঘর থেকে বের হয়েছে। তোমার ঘরের মধ্যে তোমার সন্তান ঘরের চাপায় চিরবিদায় নিয়েছে। 

গভীর রাতে ঘুর্নিঝড়ের তান্ডব চলছিল সেই সময়ে আমার মাতা মরহুমা দেলোয়ারা খাতুন সহ পরিবারের সকলেই আমার প্রিয় পুত্র মহিউদ্দিনের লাশঁ সামনে রেখে কান্নায় কান্নায় ভেঙ্গে পড়ি। 

রাত শেষে ৩০ এপ্রিল সকালে বাড়ীঘর বিধস্ত বাড়ীর সামনের হাফেজ বজলুর রহমান সড়কের উপর মানুষের বসতঘর, গাছে ভেঙ্গে পড়ে থাকায় সড়ক দিয়ে কোন যানবাহন চলাচল করছেনা । 

ঐ সময়ে পুত্র হারানো বেদনায় আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়ে। সকাল ১১ টার সময়ে বাড়ীর পাশে রাউজান মুহাম্মদপুর মহিউল উলুম মার্দ্রাসা সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে মহিউদ্দিনের জানাজার নামাজ আদায় করার পর মহিউদ্দিনের লাশ মার্দ্রাসা সংলগ্ন আমার পারিবিারিক কবরস্থানে দাফন করে এলাকার লোকজন । 

১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ংকারী ঘুর্নিঝড়ের  ঘটনায় এখনো আমি ও আমার পরিবারের সদস্যদের কাছে শোকের একটি দিন। এই দিনে পরিবারের সকলেকে আবারো মহিউদ্দিনের মৃত্যুর ঘটনায় কাদাঁয়। আমার প্রিয় পুত্র মহিউদ্দিন ঘুনিঝড়ে মৃত্যুর ঘটনার পর আমি আমার পৈতৃক নিবাস রাউজানের মোহাম্মদপুরের বাড়ী থেকে চলে এসে রাউজানের ডাবুয়া ইউনিয়নের দক্ষিন হিংগলা শান্তি নগর এলাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করে আসছি। প্রিয় পুত্র মহিউদ্দিনের হারানো আমার পৈতৃক ঘরে আমি কখনো বসবাস করেনি ।

Categories
রাউজান

রাউজানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেলেন ১শত ১২ জন দফাদার ও গ্রাম পুলিশ

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

করোনা ভাইরাসের সংক্রমক থেকে রক্ষার জন্য সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষ ঘরের মধ্যে বসবাস করছেন । কেউ ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। 

এই সময়ে রাউজানের ১৪টি ইউনিয়নের মধ্যে কর্মরত দফাদার ও গ্রাম পুলিশের সদস্যরা জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে প্রতিদিন ত্রান কার্যক্রম সহ বিভিন্ন ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন। 

জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে দায়িত্ব পালনকারী গ্রাম পুলিশদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার চাউল, ডাল, তৈল, পেয়াহ, আলু বিতরন করা হয়। 

 ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে রাউজান উপজেলা পরিষদ মাঠে দফাদার ও গ্রাম পুলিশদের মধ্যে প্রধান মন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরন কালে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে সাংসদ এবি এম ফজলে করিম চৌধুরী গ্রাম পুলিশদের জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় কাজ করায় তাদের প্রতি অভিনন্দন জানান। 

রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্টিত গ্রাম পুলিশদের মধ্যে প্রধান মন্ত্রীর উপহার খাদ্য সামগ্রী বিতরন অনুষ্টানে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান এহেসানুল হায়দার বাবুল, রাউজান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভুইয়া, রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ প্রমুখ ।

Categories
রাউজান

রাউজানের মোহাম্মদপুরে দরিদ্রদের ইফতার সামগ্রী দিলেন স্থানীয় মেম্বার

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজান উপজেলার ৭নং রাউজান ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মেম্বার সাহাবুদ্দিন পবিত্র রমজান উপলক্ষে  তার এলাকার ২শত দরিদ্র দুস্থঃ পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরন করেন। 

 ২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকালে রাউজানের মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানে অসহায় দুস্থঃ পরিবারের মধ্যে ইফতার সামগ্রী বিতরন করা হয়। 

ইফতার সামগ্রী বিতরন অনুষ্টানে স্থানীয় মেম্বার সাহাবুউদ্দিনের সাথে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ইসাহাক ইসলাম, রাউজান উপজেলা যুবলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাসুদ, যুবলীগ নেতা টিপু প্রমুখ ।

Categories
রাউজান

রাউজানে অভুক্ত কুকুরদের খাবার দিলেন পৌর প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র ও রাউজান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ প্রতিনিয়ত রাউজানের বিভিন্ন এলাকার মানসিক প্রতিবন্দ্বী, পথশিশু, দিনমজুর, রিক্সা চালক,  অসুস্থ দরিদ্র লোকদের খাবার, চিকিৎসা খরচ, অর্থ দিয়ে সহায়তা করেন। 

এছাড়াও দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়েদেরকে লেখাপড়া করার জন্য শিক্ষা উপকরন তাদের অর্থ সহায়তা প্রদান করেন। অসহায় দুস্থঃ দরিদ্র, মানসিক প্রতিবন্দ্বী, মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান করার মাধ্যমে রাউজান পৌর প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ রাউজানে দরিদ্র অসহায় পরিবারের প্রিয় রাজনৈতিক নেতা হিসাবে রাউজানে পরিচিতি লাভ করেছেন। 

এবার অসহায় মানুষের সহায়তা কারী স্থানীয় জনপ্রতিনিধি রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বেড়ানো অভুক্ত কুকুরদের খাবার দিলেন। 

 ২৭ এপ্রিল সোমবার রাতে রাউজানের জলিল নগর বাস ষ্টেশণ, মুন্সির ঘাটা রাউজান ফকির হাট বাজারের মধ্যে অভুক্ত কুকুরদের খাবার দিলেন রাউজান পৌরসভার ২য় প্যণের মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ। 

রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ বলেন, বিবাহ, মেজবান, হোটেল রেস্তোরা থেকে ফেলানো খাবার কুকুর গুলো খেয়ে তাদের ক্ষুদ্বা নিবারন করতো করোনা ভাইরাসের কারনে বিবাহ, মেজবান, হোটেল রেস্তোরা বন্দ্ব থাকায় কুকুরের খাদ্য সংকট হয়েছে। অভুক্ত থাকা কুকুরগুলোকে সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর দেওয়া ভাত ও মাংস দিয়ে কুকুরগুলোকে খাওয়ার দেওয়া হয়েছে ।

Categories
মুক্তমত

রাউজানে দ্রব্য মূল্য মনিটারিং করলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজানে দ্রব্য মূল্য বেশী নিচ্ছে কিন যাচাই করতে বাজার  মনিটারিং করলো উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ।

২৮ এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুরে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যজিষ্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি মোঃ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভুইয়া আনসার বাহিনীর সদস্যদের সহায়তায় রাউজান ফকির হাট বাজার ও মুন্সর ঘাটায় মুদিও দোকান, চাউলে দোকান, মাংসের দোকান, মুরগীর দোকানে চাল, ডাল , পেয়াজ, আদা, রসুন, তৈল, মাছ, মাংসের দোকান মনিটারিং করেন। 

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে নিত্ত প্রয়োজনীয় দ্রব্যের বেশী মুল্য নিয়ে মালামাল বিক্রয় করছেন কিনা তা দেখেন। 

এসময়ে একটি হোমিওপ্যথিক ঔষধের দোকানে মেয়াদ উর্ত্তিন ঔষধ বিক্রয়, একটি মুদির দোকানে মেয়াদ উত্তির্ন মালামাল বিক্রয়, সামাজিক দুরত্ব না মেনে একটি সিএনজি অটোরিক্সায় করে পরিবহনের অপরাধে ৬ হাজার ৫০ টাকা জরিমানা আদায় করেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নিবাহী ম্যজিষ্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ। 

বাজার মনিটারিং কালে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ ।

Categories
রাউজান

রাউজানে ফারাজ করিম চৌধুরীর ত্রাণ তহবিল থেকে খাদ্য সামগ্রী বিতরন অব্যাহত

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজানে তরুন আওয়ামী লীগ নেতা ফারাজ করিম চৌধুরীর ত্রাণ তহবিল থেকে হৃত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের খাদ্য সামগ্রী বিতরন অব্যাহত রয়েছে। 

৪০ হাজার হৃত দরিদ্র কর্মহীন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন কর্মসুচির আওতায় রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় হৃত দরিদ্র কর্মহীন পরিবার ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সদস্যদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হচ্ছে। 

আজ রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় হৃত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরন করেন রাউজান পৌরসভার প্যনেল মেয়র রাউজান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ। 

এসময়ে আরো উপস্থিত ছিলেন যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা তানভীর হাসান চৌধুরী, মোঃ আশিফ, নাসির উদ্দিন, সেন্ট্রাল বয়েজ অব রাউজানের সভাপতি সাইদুল ইসলাম, সাধারন সম্পাদক ইমতিয়াজ জামাল নকিব প্রমুখ ।

Categories
রাউজান

রাউজানে গুলি করে যুবলীগ নেতা হত্যাকান্ডে মামলা

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজান পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের অংকুরিঘোনা এলাকায় যুবলীগ নেতা বিতান বড়ুয়াকে হত্যাকান্ডের ঘটনায় রাউজান থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ। 

২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে হত্যাকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোঃ রশিদুল হক ও রাউজান রাঙ্গুনিয়া সার্কেলর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবুল কালাম চৌধুরী। 

হত্যাকান্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের প্রচেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন রাউজান থানার ওসি কেফায়েত উল্লাহ। আজ নিহত বিতান বড়ুয়ার মরদেহ ময়না তদন্ত শেষে তার বাড়ীতে নিয়ে আসা হয়। ঐ সময়ে নিহত বিতান বড়ুয়ার স্বজনদের আহাজারীতে এলাকায় সকলের চোখে পানি পড়তে দেখা যায়। 

যুবলীগ নেতা বিতান বড়ুয়াকে ২৬ এপ্রিল রবিবার বিকালে তার বাড়ীর দক্ষিন পাশে তার মৎস হ্যচারীর সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে সন্ত্রাসী রাহুল বড়য়া, উদয়ন বড়ুয়া প্রকাশ তুফান সহ ৫/৬ জন সন্ত্রাসী গুলি করে হত্যা করে। 

নিহত যুবলীগ নেতা বিতান বড়ুয়া পশ্চিম গহিরা অংকুরি ঘোনা এলাকার অতুল মেম্বারের বাড়ি মৃত সাধন বড়ুয়ার ছেলে। নিহত বিতান বড়ুয়া ১নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন। বিতান বড়ুয়া হালদা নদী থেকে মা মাছের ডিম সংগ্রহ করে ডিম ফুটিয়ে মা মাছের রেনু বিক্রয় করতো ও মাছ চাষ করতো। 

নিহত মাছ চাষী বিতান বড়ুয়ার সাথে প্রতিবেশী রাহুল বড়ুয়া, উদয়ন বড়ুয়ার সাথে গত এক সপ্তাহ পুর্বে একই এলাকার জীশু বড়ুয়ার পাকা ঘরের ছাদ ঢলাইয়ের কাজ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সন্ত্রাসী রাহুল বড়ুয়া ও উদয়ন বড়ুয়া তুফান জীশু বড়ুয়ার পাকা ঘরের ছাদ ঢালাইয়ের কাজে ২লাখ টাকা চাদাঁ দাবী করলে নিহত যুবলীগ নেতা বিতান বড়ুয়া এতে বাধা দেয়। বিতান বড়ুয়া সন্ত্রাসীদের চাদাঁ না দিয়ে জীশু বড়ুয়ার পাকা ঘরের ছাদের ঢালাইয়ের কাজ করে দেয়। 

এই বিরোধের জের ধরে সন্ত্রাসীরা বিতান বড়য়াকে হত্যা করে বলে এলাকার লোকজন তাদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান।

বিতান বড়ুয়া

নিহতের স্ত্রী জয়াশ্রী বড়ুয়া বলেন ‘আমার স্বামী বিতান বড়ুয়া গত ২৬ এপ্রিল রবিবার ‘বিকেল পৌণে ৪টার দিকে বাড়ির পাশের দিদির কাছ থেকে দুই হাজার টাকা ধার নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। ফেরার পথে বাড়ির দক্ষিন পাশে একটি ভবনে ওঁৎ পেতে থাকা একই এলাকার মৃত অনাদি বড়ুয়ার ছেলে রাহুল বড়ুয়া ও ছেনরাম বড়ুয়ার ছেলে উদয়ন বড়ুয়া প্রকাশ তুফান বড়পয়াসহ ৫-৬ সন্ত্রাসী আমার স্বামী বিতান বড়ুয়াকে গুলি করে হত্যা করে।