রাউজানে দুর্ধষ ডাকাত আলমের উত্থ্যান কাহিনী

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের পুর্ব রাউজান ঢালারমুখ এলাকার ছিদ্দিক আহম্মদ চৌধুরী বাড়ীর বাসিন্দ্বা আবদুল ছত্তারের পুত্র দুর্ধষ ডাকাত আলম। দুর্ধষ ডাকাত আলম একসময়ে ট্রাকে ইট বোঝাই করতো। গত বিএনপি জোট সরকারের শাসন আমলে র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলমের সাথে দুর্ধষ ডাকাত আলমের সর্ম্পক গড়ে উঠে।

নিহত শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলমের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসাবে রাউজানে হত্যা, অপহরন, চাদাঁবাজী, ডাকাতির ঘটনা সংগঠিত করে ট্রাকের ইট বোঝাইয়ের শ্রমিক আলম রাউজানে দুর্ধষ ডাকাত হিসাবে পরিচিতি হয়ে উঠে। শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলমের নেতৃত্বে দুর্ধষ ডাকাত আলম ও তার সহযোগিরা রাউজানের হরিশখান পাড়ার সাহালম, মোটর সাকেল মেকানিক বোবা নাসির, রাউজান ইউনিয়ের মেম্বার আকতার হোসেন, কদলপুরে সাবেক রাউজান উপজেলা আওয়ামী সাধারন সম্পাদক মোসলেম উদ্দিন খানের শ্যালক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ওমর ফারুককে নির্মম ভাবে হত্যা করে।

দুর্ধষ ডাকাত আলম তার সহযোগিরা রাউজানের আইলী খীল এলাকার যুবলীগ নেতা মনসুর, রাউজান পৌরসভা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জসিম উদ্দিন চৌধুরী, রাউজান উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রাউজান পৌরসভার ২য় প্যনেল মেয়র জমির উদ্দিন পারভেজ, গহিরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম সিরাজুল হক, রাউজান পৌরসভার কাউন্সিলর রাউজান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কাজী ইকবাল, যুবলীগ নেতা জামশেদ, আশিষ নাথ, পুলক ভট্টচার্য্য,রনজিৎ মহাজন, সুধির দে, সেলিমের উপর হামলা করে আহত করে।

গত ২০০৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর রাউজানের ডাবুয়া ইউনিয়নের কলমপতি অরুন দে এর ঘরে শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলম তার সহযোগিরা অবস্থান নেওয়ার সংবাদ পেয়ে র‌্যাব ঘরটি ঘেরা ও করে। এসময়ে র‌্যাবের সাথে বন্দ্বুক যুদ্ব সংগঠিত হয়। র‌্যাবের ক্রস ফায়ারে শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলম তারি ৯ সহযোগি সহ ১০ জন নিহত হয়। র‌্যাব শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলমের আস্তানা থেকে বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্বার করে। ঐ সময়ে কৌশলে শীর্ষ সন্ত্রাসী জানে আলমের সেকেন্ড ইন কমান্ড দুর্ধষ ডাকাত আলম, তার সহযোগি লোহা জসিম পালিয়ে যায়। পরে দুর্ধষ ডাকাত আলমকে চট্টগ্রাম মোট্রেপলিটন পুলিশের তৎকালীন সহকারী পুলিশ কমিশনার বাবুল আকতার চট্টগ্রাম নগরীর একটি সংগঠিত ঘটনার জের ধরে রাউজানের পুর্ব রাউজান দুর্গম পাহাড়ী এলাকা থেকে অস্ত্র সহ গ্রেফতার করে।

দুর্ধষ ডাকাত আলমের বিরুদ্বে দায়ের করা একটি অস্ত্র মামলায় দশ বৎসরের সাজা প্রদান করে আদালত। দীর্ঘ দিন জেলে থাকার পর দুর্ধষ ডাকাত আলম জেল থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে এলাকায় এসে রাউজানের পাহাড়ী এলাকায় আস্তানা গড়ে তোলে। দুর্ধষ সন্ত্রাসী ডাকাত আলম জেল থেকে বের হয়ে এলাকায় সক্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করেছে। রাউজানের পুর্ব রাউজান পাহাড়ী এলাকার শামশুল আলমের টিলায়, রাউজান রাবার বাগান এলকায়, চিকনছড়া, মুখছড়ি, পাশর্^বর্তী কাউখালী উপজেলার মনাই পাড়া, তালতলা, নাকাটা, ডিলাইট, দোচালা পাহাড়ী এলাকায় বসবাসকারী রোহিঙ্গা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দুর্ধষ ডাকাত আলম সন্ত্রাসী বাহিনী তৈয়ার করে এলাকার তার সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্বে বাধাদান কারী রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ্ব ও লোকজনকে ঘায়েল করার জন্য দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় অস্ত্র তৈয়ারী করছে বলে এলাকার লোকজন ধারনা করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*