নগরীর জে এম সেন হলের প্রতিষ্টাতার দৌহিত্র মিলন ওরফে অনিল সেন অসহায় জীবন যাপন করছেন

শফিউল আলম, রাউজান বার্তা ঃ 

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার বরমার বাসিন্দ্বা প্রয়াত যাত্রা মোহন সেন দানবীর ও শিক্ষানুরাগী । প্রয়াত যাত্রামোহন সেনের পুত্র যতিন্দ্র মোহন সেন এবং পুত্রবধু নেলি সেন গুপ্ত কৃতিমান গুনি মানুষ । 

তাদের বংশধর মিলন কান্তি সেন মাহন মুক্তিযদ্বের সময়ে জীবনের মায়া ত্যাগ করে মুক্তিযুদ্বে অংশ গ্রহন করেন। মিলন সেনের নাম ভুলবশত অনিল সেন লেখা হয়। 

মহান মুক্তিযুদ্বের সময়ে মুক্তিযুদ্বে অংশ গ্রহন করেছিলেন মিলন সেন মুক্তিযুদ্বের সর্বাধিনায়ক প্রয়াত মেজর জেনারেল আতাউল গনী ওসমানীর স্বাক্ষরিত সনদ রয়েছে মিলন সেনের কাছে। ভুল বশত মিলন সেনের নাম অনিল সেন লেখায় তিনি কোন সহায়তা পায়নি সরকার থেকে। 

একসময়ের পর পর ৫ দফে কলকাতা সিটি কর্পোরেশনের মহানাগরিক মেয়র ব্যরিষ্টার যাত্রামোহনের বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি ছিল। যত্রামোহন সেন চট্টগ্রাম নগরীতে জে, এম সেন হল প্রতিষ্টা করেন। প্রয়াত যাত্রামোহন সেনের প্রতিষ্টিত জে, এম সেন হলে সভা সমাবেশ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ধর্মীয় অনুষ্টান হয়ে আসছে । 

প্রয়াত যাত্রামোহন সেনের দৌহিত্র মিলন সেন (৭৬) আর্থিক সংকটের কারনে বিনা চিকিৎসায় বাড়ীতে তার পরিবার পরিজন নিয়ে ধুকে, ধুকে মরছে । মুক্তিযোদ্বা মিলন সেন বলেন, তাদের বিপুল পরিমান সম্পত্তি বেহাত হয়ে গেছে। বাড়ীর পুকুর পাড়ে একটি জরার্জিন টিনেসেট চালার ঘরে মিলন সেন তার স্ত্রী এক ছেলে দুই মেয়েকে নিয়ে অতি কষ্টের মধ্যে জীবন যাপন করছেন । 

অভাব অনটন অনাহারে মুক্তিযোদ্বা মিলন সেন তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তার স্ত্রী দুর্গা রানী ও শ্রবন প্রতিবন্ধী । ছেলে লিটন সেন গুপ্ত রং মিস্ত্রিও কাজ করে স্বল্প আয়ের টাকা দিয়ে পিতা মাতাকে ও স্ত্রী সন্তান নিয়ে অতি কষ্টে সংসারের ঘানি টানছে । অর্থের অভাবে  মুক্তিযোদ্বা মিলন সেনের চিকিৎসা করতে পারছেনা তার পুত্র লিটন সেন গুপ্ত । 

দৈনিক সমকালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুজিত কুমার দাশ তার পৈতৃক নিবাস আনায়ারায় করেনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া হৃত দরিদ্র পরিবারের সদসদ্যদের খাদ্য সহায়তা প্রদান করার সময়ে অর্থের অভাবে মুক্তিযোদ্বা মিলন সেনের চিকিৎসা করতে পারছেনা সংবাদ পেয়ে  আনোয়ারা থেকে চনদনাইশ উপজেলার বরমা প্রয়াত যাত্রামোহন সেনের বাড়ীতে যায়। মুক্তিযোদ্বা মিলন সেনকে সহায়তা প্রদান করেন দৈনিক সমকালের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সুজিত কুমার দাশ । 

চন্দনাইশ বরামা প্রয়াত যাত্রা মোহন সেন, ও তার যতিন্দ্র সেন, পত্রবধু নেলি সেন গুপ্তের তিনটি সমাধি স্থল পড়ে রয়েছে অযত্ন অবহেলায়। 

মুক্তিযোদ্বা মিলন সেনের পুত্র লিটন সেন গুপ্ত বলেন, তার পিতা মুক্তিযোদ্বা মিলন সেনের চিকিৎসার জন্য সহায়তা চেয়ে বিভিন্ন উধত্বন মহলে আবেদনর করার পর ও কোন সহায়তা পায়নি। চন্দনাইশ থানার পুলিশ কমকর্তা এসে এই ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন।লিটন সেন গুপ্ত মুক্তিযুদ্ব বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সদয় দৃষ্টি কামনা করেন ।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*