রাউজানের এক সময়ের নামকরা আবদুর রসিদ সারাং প্রকাশ ইন্দিরা ঘাট বাজার পুর্বের জৌলুস হারিয়েছে

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান উপজেলার ১৫ নং নেয়াজিশপুর ইউনিয়নের হালদা নদীর তীরে ইন্দিরা ঘাট এলাকায় নদীমপুর এলাকার বাসিন্দ্বা মরহুম আবদুর রশিদ সারাং তার নিজস্ব জমিতে ১৯৩০ সালে সারাং বাজার প্রতিষ্টা করেন। 

ইন্দিরা ঘাট এলাকায় মরহুম আবদুর রশিদ সারাংয়ের প্রতিষ্টিত সারাং বাজার প্রতিষ্টার পর থেকে জমজমাট বাজার হিসাবে গড়ে উঠে। সাপ্তাহের শুক্রবার ও সোমবার সকালে সারাং বাজার বসতো। সারাং বাজারে নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের নদীমপুর, পশ্চিম ফতেহ নগর, ফতেহ নগর, গহিরা ইউনিয়নের কাজী পাড়া, দলই নগর, কোতোয়ালী ঘোনা, ফটিকছড়ি  উপজেলার জাফত নগর, তেলপারই, হাটহাজারী উপজেলার লাঙ্গলমোরা, ছিপাতলী, গুমানমর্দন এলাকার হাজার হাজার মানুষ এসে কেনাকাটা করতো। 

সারাং বাজারে রাউজান–ফটিকছড়ি-হাটহাজারী ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে সব্জি ব্যবসায়ীরা সহ ব্যবসায়ীরা মালামাল এনে বিক্রয় করতো বলে এলাকার প্রবীন ব্যক্তিরা জানান। এক সময়ের নামকরা সারাং বাজার প্রকাশ ইন্দিরা ঘাট বাজার তার পুর্বের জৌলুশ হারিয়েছে। 

সাপ্তাহের প্রতি শুক্রবার ও সোমবার সকালে সারাং বাজার বসলেও বাজারে পুর্বের মতো সব্জি, মালামাল, মাছ, মাংসের দোকান বসেনি। মাছ ও সব্জি, মৌসুমী ফল বিক্রয় করতে দেখা যায় কয়েকজন ব্যবসায়ীকে । বাজারের পার্শবর্তী এলাকার লোকজন এসে বাজার থেকে মাছ ও সব্জি, মৌসুমী ফল ক্রয় করতে দেখা যায়। 

সারাং বাজারে রয়েছে কয়েকটি মুদির দোকান, চায়ের দোকান, ইলেকট্রিক সামগ্রী, ষ্টেশনারী দোকান, হাতে ঘোনা কয়েকটি ঔষধের দোকান। সারাং বাজারকে পুর্বের অবস্থানে ফিরিয়ে আনতে বাজারে সরকারী ভাবে একটি বাজার সেড নির্মান করা হয়েছে। বাজারের মধ্যে একটি এবাদত খানা নির্মান করা হয়েছে। বাজারের দিন কাচাঁ বাজার, মাছ বাজার থেকে সামান্য টাকা তুলে এবাদতখানা পরিচালনা করেন বলে জানান স্স্থানীয় মেম্বার মানিক। 

বাজারের মধ্যে স্থায়ী ভাবে গড়ে উঠা ব্যবসা প্রতিষ্টান থেকে নেওয়া মাসিক ভাড়ার টাকা বাজারের প্রতিষ্টাতা মরহুম আবদুর রশিদ সারাংয়ের বংশধরেরা আদায় করে। সারাং বাজারটি বর্তমানে বসে যাওয়ায় বাজারের স্থায়ী ব্যবসা প্রতিষ্টানের ব্যবসায়ীরা জমিদারের ভাড়ার টাকা নিয়মিত পরিশোধ করতে পারেনা বলে জানান ব্যবসায়ীরা।  

হালদা নদীর তীরে গড়ে উঠা সারাং বাজারটি তার পুর্বের জৌলুশ হারালে ও বাজারের পাশ দিয়ে হালদা নদী নৌকায় পার হয়ে রাউজান হাটহাজারীর বাসিন্দ্বারা চলাচল করায় ইন্দিরা ঘাট নামটি এখনো রাউজান, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি মানুষের কাছে পরিচিত নাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*