শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান উপজেলার ডাবুয়া ইউনিয়নের লাঠিছড়ি বড়ুয়া পাড়ার পুর্ব পাশে এয়াসিন নগর এলাকায় মরহুম আবদুল জলিল ৪০ শতক নিজের জমি স্কুলের নামে দান করে বাশেঁর বেড়া ও টিনের ছাউনি দিয়ে প্রথমে প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান করেন। 

পরবর্তী মাঠির গুদাম ও টিনের চালা দিয়ে আবদুল জলিল প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান করা হয় । স্কুলটি নির্মানের পর থেকে আবদুল জলিল তার নিজের টাকা দিয়ে শিক্ষকের বেতন দিয়ে স্কুলের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতো। 

আবদুল জলিল মারা যাওয়ার পর থেকে তার স্বজনেরা স্কুলটি পরিচালনা করতো। পরবর্তী স্কুলটি ধসে পড়ে স্কুলের কার্যক্রম বন্দ্ব হয়ে যায় । 

স্কুলটি বন্দ্ব হয়ে যাওয়ার পর এলাকার ৭শত পরিবারের ছেলে মেয়েরা তাদের বাড়ী থেকে এক কিলোমিটারের বেশী দুরে ডাবুয়া তারাচরন শ্যামসাচরন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, আমির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডাবুয়া সরকারী প্রাথমিক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে লেখাপড়া করতে হয়। 

বাড়ী থেকে স্কুল দুরত্ব বেশী হওয়ায় অনেক পরিবারের ছেলে মেয়েরা স্কুলে যায়না। সরকার সরাদেশে ১হাজার নতুন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান করার প্রকল্প দেওয়ার পর রাউজানের সাংসদ এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় রাউজানে যে সব এলাকায় এক কিলোমিটারের মধ্যে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। 

ঐ সব এলাকায় নতুন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মানের জন্য স্থান পরিদর্শন করা হচ্ছে। রাউজানের ডাবুয়া এয়াসিন নগর এলাকায় নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান করার জন্য স্থান পরির্দশন করেন রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যোন এহেসানুল হায়দার বাবুল। 

 ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে নতুন করে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মান করার জন্য স্থান পরির্দশন কালে আরো উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ভুইয়া, রাউজান উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল কুদ্দুস. আওয়ামী লীগ নেতা এস এম বাবর, রুনু ভট্টচার্য্য। 

রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জোনায়েদ কবির সোহাগ বলেন, রাউজানের সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর নির্দেশনায় রাউজানে ১০টি নতুন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মানের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *