কর্ণফুলীর পানি আতঙ্কে নোয়াপাড়ার মানুষেরা


এম জাহাঙ্গীর নেওয়াজ, রাউজানবার্তা :
কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পাড় বাসিন্দাদের বর্ষা এলেই জেয়ার ভাটার পানি আতঙ্কে দিন কাটে। নদীর পানি বাড়ার সাথে সাথে নদীর পাড়ের বিস্তিন্ন এলাকা পানিতে তলিয়ে যায়।

কর্ণফুলিত ও হালদার মোহনা এলাকার

বিগত সময়ে একাধীক ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছাষে বিধ্বস্ত উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নে কচুখাইন এলাকার কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পাড় বাসিন্দাদের বহু ঘরবাড়ী নদীর গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পানিতে প্রতিবছর বহু রাস্তাঘাট পানি চোবলে ক্ষতিগ্রহস্থ হয়ে পড়ে। কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পানির ছোবল থেকে রক্ষা পেতে নদীর পাড় নোয়াপাড়া কচুখাইন, মোকামীপাড়া, চৌধুরী ঘাটকুল,ঝিকুটিপাড়া, উভলং ফনি বহদ্দার সূর্যসেন পল্লী বাসীর প্রাণের দাবি টেকসই বেড়িবাঁধ র্নিমান করার। বর্ষায় নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় ফলে নোয়াপাড়ার বেশ কিছু এলাকা ডুবে গেলে এখানকার মানুষের দুঃখের যেন সীমা থাকেনা।

গত বছরের বর্ষার জোয়ারের পানিতে এলাকার অধিকাংশ রাস্থা ঘাট বিলীন হয়ে যাওয়ায় ভাঙ্গা অংশ মেরামত করা হলেও ভাঙ্গনের ক্ষত চিহ্ন এখনো রয়েগেছে।

হালদা-কর্ণফুলী নদীর সংযোগে বালুবাহি যান্ত্রিক নৌযান চলাচল আর বালু উঠানোর কাজে ড্রেজারে ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না। কণৃফুলী নদী থেকে দিন রাত শত শত নৌযান দিয়ে বালী উত্তোলনের ফলে নদীর পাড় এলাকা দেবে গিয়ে নিচু হয়ে গেছে এতে সহজেই নদীর পানি উটার কারনে বহু এলাকা গত কয়েক বছর ধরে অনাবাদী হয়ে পড়েছে। এখানকার জনসাধারণের মতে এই দুই নদীর সংযোগে থাকা রাউজান নোয়াপাড়া মৌজায় ও হালদা নদীর রাউজানের কচুখাইন, মোকামী পাড়া সার্কদা,র ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, কছুখাইন বাধের গোড়া হালদার মুখে বেশ কিছু জেলে পরবিার যে কোন মুহুর্তে জোয়ারের ধাক্কায় ধসে যাওয়ার আতঙ্কে দিন কাটাছে। স্থানীয় হালদার মুখে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাসরত একাধীক বক্তি বলেন, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে হালদার পাশে পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করতে গিয়ে পরিবারসহ পানিতে ডুবেছে আমার কুড়ে ঘরটি। কখনো পানিতে ভিজেছি আবার কখনো রৌদ্র্রে। তারা আরোও বলেন, বিগত দিনে অনেক জনপ্রতিনিধি দেখেছি কিন্তু কোউ আমাদের খবর রাখেনি। বর্তমানে এই পরিবারটি ভিটামাটি হারিয়ে র্পাশ র্বতি এক মুসলিম পরিবারের জায়গায় ঘরবেধেঁ রয়েছে এখানে ১০/১২ পরিবারের চলাচলের কোন রাস্থানেই স্থানীয় সাবেক এক মেম্বারের জায়গা উপরদিয়ে এখনো তাদের যাতায়ত করতে হয়।

পশ্চিম কচুখাইন এয়কুব আলী সওদাগর বাড়ীর মো আবদুল জব্বার সোহেল জানান, এখানে বেশ কিছু পরিবার ভাঙ্গন আর পানি আতঙ্কে দিন কাটাছে।

কছুখাইন মোহাম্মদীয়া দরবার এলাকার লেখক নুর মোহাম্মদ,ও মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, র্বষায় কর্ণফুলী নদীর পানি বাড়ার সাথে সাথে পানিতে সবকিছু তলিয়ে যায়। এসময় চরম বিপদের মধ্যদিয়ে বসবাস করছে কছুখাইন এলাকার নদীর পাড়ের পরিবার গুলোর। এখানে ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা জীবনের ঝুকি নিয়ে স্কুল মাদ্রাসায় যেতে হয়। বিগত বর্ষায় দেখাযায়,কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পাড় বাসিন্দাদের বলতে গেলে নিয়তির সাথে যুদ্ধে চলছে এই এলাকার হাজার হাজার মানুষ।

এই মানুষগুলো এখন ঘুমের ঘোরে লাফিয়ে উঠে জোয়ারের পানিতে বসতবাড়ি ডুবে যাওয়ার আতঙ্কে।

জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) অর্থায়ানে হালদা নদির ভাঙ্গন রোধে ব্লক বসানো হযেছে কোন কোন স্থানে তবে বেশীর ভাগ এলাকা নিচু হয়ে যাওয়ায় বর্ষার সময় নদীর পানি বেড়ে গিয়ে বিস্তিন্ন এলাকায় ডুকেপড়ে। নদীর পাড় বাসিন্দাদের রক্ষায় সরকার কোটি কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নিলেও বর্ষা যতই ঘনিয়ে আসছে এখানকার বাসিন্দাদের পানি আতঙ্ক ততই বাড়ছে।

এলাকাবাসীর দাবী কর্ণফুলী ও হালদার পাড়ে বেড়িবাঁধের ব্যবস্থাকরা না হলে এই এলাকার মানুষের জীবন যাত্রায় ঝুকির মধ্যেই থেকে যাচ্ছে। তাই রাউজানের রুপকার এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী এমপির সুদৃষ্টি কামনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থ গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন কর্ণফুলী ও হালদা নদীর পাড়ের মানুষ ।

নিউজ ও বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:

শফিউলআলম, প্রধানসম্পাদক

সাহেদুর রহমান মোরশেদ, সম্পাদক ও প্রকাশক

মোবাইল- ০১৮১৮-১১৭৪৭০

ইমেইল: raozan786@gmail.com

raozanbarta24. com


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*