আজ ৯ সেপ্টেম্বর মরহুম ফজলুল কবির চৌধুরীর ৪৮ তম মৃত্যু বার্ষিকী

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

 আজ ৯ সেপ্টেম্বর বুধবার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও পার্লামেন্টারিয়ান, সমাজসেবী, জননেতা মরহুম আলহাজ্ব এ.কে.এম. ফজলুল কবির চৌধুরীর ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। 

এ উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন গহিরা গ্রামে মরহুমের নিজ বাড়ীতে আজ সকাল ১০.৩০ মিনিটে মরহুমের কবরস্থান সংলগ্ন মসজিদে পবিত্র খতমে কুরআন, মিলাদ  মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে মরহুমের আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্গীদের উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এছাড়া ডাবুয়া হিংগলা এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কদলপুর ইসলামিয়া নতুন পাড়া এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়া সাজেদা কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব গুজরা সাতবাড়িয়া এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, গহিরা সাজেদা কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, 

নোয়াজিষপুর সাজেদা কবির চৌধুরী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলদিয়া ইয়াছিন শাহ্ কলেজ এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী হল, মরহুম এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী অডিটোরিয়াম হল, মাধ্যম ফতেহ নগর সাজেদা কবির চৌধুরী প্রাথমিক বিদ্যালয়, 

রাউজানের হলদিয়া আমির হাটে সাজেদা কবির চৌধুরী পাঠাগার, মরহুম এ কে এম ফজলুল কবির চৌধুরী প্রতিষ্ঠিত রাউজান বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, রাউজান উপজেলা গহিরা শান্তির দ্বীপ কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি, গহিরা সাজেদা কবির কমিউনিটি ক্লিনিক, গহিরা সাজেদা কবির চৌধুরী ফোরকানিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পৃথক পৃথক ভাবে দিনটি উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে।

আলহাজ্ব এ.কে.এম. ফজলুল কবির চৌধুরী ১৯৭২ সালের ৯ই সেপ্টেম্বর হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ৫৬ বছর বয়সে ঢাকাস্থ বাস ভবনে ইন্তেকাল করেন। মরহুম চৌধুরী সাবেক পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের বিরোধী দলের নেতা এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক আইন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। 

আলহাজ্ব এ.কে.এম. ফজলুল কবির চৌধুরী ১৯১৭ সালের ১ নভেম্বর চট্টগ্রামের রাউজান থানার গহিরা গ্রামের পিতা- আলহাজ্ব খান বাহাদুর আবদুল জব্বার চৌধুরীর ও মাতৃকুল মধ্যযুগীয় মুসলিম মহিলা কবি রহিমুন্নেসার পৌত্রী বেগম ফাতেমা খাতুন চৌধুরানীর ঔরশে জন্ম গ্রহণ করেন।

তিনি চট্টগ্রাম পোর্ট- ট্রাষ্টের ভাইস চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রিজ এর প্রেসিডেন্ট, মেরিন এন্ড মার্কেন্টাইল একাডেমীর গভর্ণর ও চট্টগ্রাম ডিস্ট্রিক কাউন্সিলের কাউন্সিলর ছিলেন।

এছাড়া তিনি রাউজান গহিরা শান্তির দ্বীপের ও রাউজান কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। আলহাজ্ব এ.কে.এম. ফজলুল কবির চৌধুরী সক্রিয় রাজনীতি ছাড়াও বহু জনহিতকর কাজ ও সেবামূলক কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

রাউজানে বন বিভাগের ২শত ১০ একর অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করে জমিতে সামাজিক বনায়ন

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজানে বন বিভাগের ২শত ১০ একর অবৈধ দখল থেকে পাহাড়ী জমি উদ্বার করে ২শত ১০ একর পাহাড়ী জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করে সামাজিক বনায়ন গড়ে তোলছে বন বিভাগ। 

রাউজান উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের বৃন্বাবনপুর, বৃকবানুপুর, রাধামাধবপুর, গলাচিপা, জানিপাথর, এয়াসিন নগর, শিরনী বটতল, হলদিয়া, দক্ষিন ক্ষিরাম, ওয়াহেদ্যা খীল, গর্জনিয়া, ডাবুয়া ইউনিয়নের সুড়ঙ্গা, পুর্ব ডাবুয়া, উত্তর আইলী খীল, হিংগলা, মেলুয়া, কলমপতি, সিংহরিয়া,

দক্ষিন হিংগলা, রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের আইলী খীল, ওয়াহেদের খীল, জঙ্গল রাউজান, খামার টিলা, দাওয়াত খোলা, পশ্চিম রাউজান, পুর্ব রাউজান, ঢালার মুখ, কাজী পাড়া, রহমত পাড়া, ৭নং রাউজান ইউনিয়নের পুর্ব রাউজান, চিকনছড়া, মুখছড়ি,জয়নগর বড়ুয়া পাড়া, রশিদর পাড়া ভোমর ঢালা, রানী পাড়া, শমশের নগর, কদলপুর ইউনিয়নের শমশের পাড়া,কালকাতর পাড়া, দক্ষিন শমশের নগর, কমলার টিলা, হজরত আশরফ শাহ মাজারের পাশে,

ভোমর পাড়া, জয়নগর বড়ুয়া পাড়া, পাহাড়তলী ইউনিয়নের উনসত্তর পাড়া, সাহেদুল্লাহ কাজী বাড়ী, সন্দিপ পাড়া, গৌরি শংকর হাট, চুয়েটের পাশে, জগৎপুর আশ্রম, রাউজান তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিপরিতে, শেখ পাড়া, মহামুনি, বহলপুর এলাকায় বন বিভাগের মালিকানাধীন পাহাড়ী জমি ও টিলা জবর দখল করে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা ঘর বাড়ী, খামার বাড়ী, বৃক্ষের বাগান গড়ে তোলেছেন। 

বন বিভাগের মালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা শ্রেনীর জমি বিভিন্ন এলাকায় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা মোটা অংকের উৎকোচ দিয়ে অবৈধভাবে স্থায়ী বন্দোবস্তি করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। 

বন বিভাগের মালিকানাধীন পাহাড় ও টিলা দখল করে এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এলাকার ভুমিহীন পরিবারের কাছে টাকা নিয়ে বন বিভাগের বিপুল পরিমাণ জমি ননজুডিশিয়াল স্টাম্পে কাগজ করে বিক্রয় করছেন বলে একাধিক সুত্র জানায় । 

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধিন ইছামতি রেঞ্জ রাউজান ঢালা চেক ষ্টেশনের বন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ ও কর্মচারীরা রাউজানের সাংসদ এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সহায়তায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের প্রচেষ্টায় রাউজানের পুর্ব রাউজান, জঙ্গল রাউজান, কদলপুর  এলাকায় অবৈধভাবে দখল থেকে বন বিভাগের পাহাড় ও টিলা উদ্বার করে। 

উদ্বার করা ২শত ১০ একর  পাহাড় ও টিলায় বিভিন্ন প্রজাতির বনজ, ফলদ, ঔষধি গাছেরে চারা রোপন করে সামাজিক বনায়ন গড়ে তোলেছে বলে বলেন, চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধিন ইছামতি রেঞ্জ রাউজান ঢালা চেক ষ্টেশনের বন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ। 

চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের আওতাধিন ইছামতি রেঞ্জ রাউজান ঢালা চেক ষ্টেশনের বন কর্মকর্তা আবদুর রশিদ আরো বলেন বন বিভাগের মালিকানাধীন আরো যে সব পাহাড়ী ও টিলা শ্রেনীর জমি অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে পর্যায়ক্রমে অবৈধ দখল থেকে বন বিভাগের জমি উদ্বার করে বন বিভাগ বৃক্ষের বাগান গড়ে তোলার মাধ্যমে সামজিক বনায়ন গড়ে তোলবে। সামাজিক বনায়নের ফলে বন বিভাগ ও এলাকার লোকজন লাভবান হবে ।

রাউজান সুলতানপুর কাজী পাড়ায় ১শত প্রজাতির মিশ্র ফলের বাগান

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের সুলতানপুর কাজী পাড়া এলাকার বাসিন্দ্বা ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন তার বাড়ীর সামনে ৬০ শতক জমিতে ১শত প্রজাতির ফল গাছের বাগান করেছেন। 

সালাউদ্দিনের ফল গাছের বাগানে বিভিন্ন প্রজাতির আম, জামরুল, জলপাই, আমলকি, হরিতকি, পেয়ারা, চাইনিজ পেয়ারা, থাই পেয়ারা, কমলা, চাইনিজ কমলা, জাম্বুরা, আমড়া, মাল্টা, চাইনিজ মাল্টা, চেরি ফল, লেবু, কলা, পেপেঁ, ড্রাগন সহ ১শত প্রজাতির ফলের গাছ রয়েছে। 

সালাউদিনের ফলের বাগানে এবৎসর লেংরা, ফজলী, হাড়ী ভাঙ্গা, আশ্বিনী, আম্রপলী জাতের আম ধরেছে প্রচুর। আমগাছের আম পাকার পর নিজের পরিবার ও আত্বিয় স্বজনকে দিয়ে অবশিষ্ট আম বাজারে বিক্রয় করে দিয়েছে সালাউদ্দিন। 

বর্তমানে ফলের বাগানে মাল্টা, পেপেঁ, কলা, লেবু, ড্রাগন, পেয়ারা, লেবু, চেরি ফল, আমলকী, আমড়া, চাইনিজ মাল্টা, কলার ফলন এসেছে প্রচুর পরিমান। ফল বাগোনের পেয়ারা নিজের পরিবারের সদস্যরা খাওয়ার পর অবশিষ্ট পেয়ারা ফল ব্যবসায়ীদের নিকট বিক্রয় করছে সালাউদ্দিন। মাল্টা ও পেপেঁ, ড্রাগন কিছুদিনের মধ্যে পাকা শুরু করবে । 

কলাগাছের কলা ও পাকার সময় হয়েছে বলে জানান ফল বাগানের মালিক সালাউদ্দিন। ফল বাগানের মালিক সালাউদ্দিন আরো বলেন, আগামী এক বৎসর পর তার ফল বাগানে রোপন করা ১শত প্রজাতির ফল উৎপাদিত হবে। 

রাউজান উপজেলা কৃষি অফিসার শাব্বির আহম্মদ বলেন, রাউজানের সুলতানপুর কাজী পাড়ায় ব্যবসায়ী সালাউদ্দিনের ফল বাগান গড়ে তোলার কাজে রাউজান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করেছেন ।

রাউজান থানা পুলিশের অভিযান এক বৎসরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী গ্রেফতার

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান থানা পুলিশের এ এস আই আবু সালাম  গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার ভোররাতে রাউজানেরে বাগোয়ান ইউনিয়নের কোয়োপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে 

সি, আর -১২৫ধারা যৌতুক আইনের ৩ধারা মামলায় এক বৎসরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী রাউজানের কোয়েপাড়া এলাকার শরফত আলীর পুত্র মোহাম্মদ সোহেল (২৮) কে তার বসত ঘর থেকে গ্রেফতার করে।

রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন বলেন, সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মোহাম্মদ সোহেলকে ৭ সেপ্টেম্বর ভোররাতে গ্রেফতারের পর পুলিশ আদালতে সোর্পদ করে।

রাউজানের সব ইউনিয়নে প্রতি কেজি ১০ টাকা দামে চাউল বিক্রয় করা হবে চলতি মাস থেকে

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

খাদ্য বান্দব কর্মসুচির আওতায় রাউজানের ১৪টি ইউনিয়নে ৩হাজার ৬শত ৪২জন হৃত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের ১০ টাকা মুলে চাউল বিক্রয় করা হবে চলতি মাস থেকে। 

প্রতিটি হৃত দরিদ্র পরিবার প্রতি কেজি চাউল ১০ টাকা করে প্রতিমাসের ৩০ কেজি চাউল ৩শত টাকা দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নের মধ্যে খাদ্য বিভাগের ডিলার থেকে ক্রয় করবে। সেপ্টেম্বর, অক্টোবর, নভেম্বর তিন মাস এই কার্যক্রম চালু থাকবে। 

প্রতি মাসের সাপ্তাহের সোমবার, মঙ্গলবার, বুধবার এক সাথে রাউজানের ১৪টি ইউনিয়নের ১৪ জন ডিলার হৃত দরিদ্র পরিবারের কার্ডধারী সদস্যদের কাছে চাউল বিক্রয় করবেন। 

হৃত দরিদ্র পরিবারের সদস্যদের মধ্যে প্রতি কেজি ১০ টাকা করে প্রতিটি পরিবারকে ৩০ কেজি চাউল বিক্রয় করার সময়ে চাউলের পরিমান কম ও সরকার কতৃক নির্ধারিত মুল্যের চেয়ে মুল্য বেশী নিলে ডিলারদের বিরুদ্বে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে উপজেলার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা, ইউপি সচিব, ডিলারদের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য প্রদান কালে রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেনায়েদ কবির সোহাগ হুসিয়ারী উচ্চারন করেন ।

 ৭ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে রাউজান উপজেলা পরিষদ হলে রাউজান উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা তরুন কান্তি চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্টিত মত বিনিময় সভায় আরো উপস্থিত ছিলের রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ, সমবায় অফিসার মুজিবুর রহমান খান, মৎস অফিসার পিযুষ প্রভাকর, মৎস সম্প্রসারন অফিসার আবদুল্ল্যাহ আল মামুন, 

পল্লী উন্নয়ন অফিসার শফিউল আলম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল কুদ্দুস, উপজেলা কৃষি অফিসার শাবিাবর আহম্মদ, উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী রহমত উল্ল্রাহ প্রমুখ ।

জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত ‘হালদা’ : “বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ” ঘোষণার বিষয়ে মত বিনিময় সভা

শফিউল আলম, রাউজান বার্তাঃ

 বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষে হালদা নদীকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রলালয় কর্তৃক ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১১টায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আজাদ।

অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. খলিলুর রহমান।

সভায় যোগ দেন হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মাদ রুহুল আমিন, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সায়েদুল আরেফিন, বোয়ালখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আছিয়া খাতুন, রাউজান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জোনায়েদ কবীর সোহাগ, মানিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না মাহমুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিভার রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ড. মনজুরুল কিবরিয়া, পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের পরিচালক মো. মোয়াজ্জম হোসাইন, মোহাম্মদ নুরুল্লাহ নূরী, প্রফেসর ড. মো. আলী আজাদী, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চট্টগ্রাম চেম্বারের উপসচিব মো. আলী আজগর, জেলা সমাজসেবা অফিসের ডিডি মো. শহীদুল ইসলাম, হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম, মাদার্শা ইউপি চেয়ারম্যান মনজুর হোসেন চৌধুরী, রাউজান থারার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নিয়াজ মোর্শেদ, এলজিইডি’র সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান, চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম, পানি উন্নয়ন বোর্ড রাঙামাটি জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নুরুল ইসলাম, কৃষি ব্যাংক হাটহাজারী শাখার ব্যবস্থাপক মো. নাসির উদ্দিন, সেভ দি হালদা রিভার এর সভাপতি লায়ন যাদব চন্দ্র শীল প্রমুখ।

জানা গেছে, হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করে সেখানে নদীর তীরবর্তী এলাকায় একটি নান্দনিক তোরণ ও নামফলক স্থাপন করবে মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট।

১৯৭২ সালের ৪ জুলাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ’। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই মৎস্য অধিদফতর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সম্পর্কে গবেষণাধর্মী কাজ, ইলিশ সম্পদের স্থায়িত্বশীল আহরণ, মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্যের রফতানি বাড়ানো এবং মান উন্নয়নে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

খাগড়াছড়ির রামগড়ের পাহাড় থেকে উৎপত্তি হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জেলার রামগড় উপজেলার পাতাছড়া ইউনিয়নের বৈলছড়ি নামক দুর্গম এলাকার হাসুকপাড়া পাহাড় থেকে হালদা নদীর উৎপত্তি হয়ে মানিকছড়ি, ফটিকছড়ি, রাউজান ও হাটহাজারি উপজেলার মধ্যদিয়ে কর্ণফুলী নদীতে মিলিত হয়েছে।

অপার জীব বৈচিত্র্য ও মৎস্য সম্পদে ভরপুর এ নদী জাতীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে। এটি বাংলাদেশের একমাত্র রুই জাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র। এছাড়া বিশ্বের একমাত্র এই জোয়ার-ভাটার নদী থেকে সরাসরি রুই জাতীয় মাছের ডিম সংগ্রহ করা হয়।

হালদা নদীর উৎস, সম্পদ, ঐতিহ্য এবং অর্থনৈতিক অবদান বিবেচনা করলে এ নদী বাংলাদেশের জাতীয় নদীর স্বীকৃতি পাওয়ার উপযুক্ত। ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করা হলে হালদা নদী নতুন প্রাণ ফিরে পাবে এবং মৎস্য সম্পদসহ জীব বৈচিত্র্য রক্ষা পাবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর ওরশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত

শফিউল আলম, রাউজান প্রতিনিধিঃ

 বিশ্বঅলী শাহান শাহ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারীর ওরশ উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা অনুষ্টিত হয়। 

৪ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাদে মাগরিব মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রশিদর পাড়া শাখা কার্যলয়ে অনুষ্টিত প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল নবী মেম্বার। 

মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ রশিদর পাড়া শাখার সাধারন সম্পাদক মাওলানা মহিম উদ্দিনের সঞ্চলনায় অনুষ্টিত প্রস্তুতি সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মাইজভান্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ দক্ষিন হিংগলা কলমপতি শাখার উপদেষ্টা রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিউল আলম। 

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা আলহাজ¦ আবদুল খালেক চৌধুরী। 

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা নিজাম উদ্দিন, রবিউল হোসেন, নুরুল হক চৌধুরী, আবদুল মান্নান, ফোরকান চৌধুরী, নুরুল আলম চৌধুরী, ফরমান চৌধুরী প্রমুখ।

৩২কোটি টাকা ব্যায়ে রাউজানের শহীদ জাফর সড়কের নির্মান কাজ চলছে

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান উপজেলা সদরের ডাকাবাংলো থেকে শুরু হওয়া ১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ শহীদ জাফর সড়ক। 

শহীদ জাফর সড়কটি রাউজান উপজেলা সদরের ডাকবাংলো থেকে শুরু হয়ে রাউজান পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডেও সুলতান পুর ৩১শষ্যা হাসপাতাল, রাউজান সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, ছত্র পাড়া, ডাবুয়া ইউনিয়নের হাছান খীল, পুইট্যা টিলা, রোয়াইঙ্গা বিল, পুর্ব ডাবুয়া, জানিপাথর, হলদিয়া ইউনিয়নের জানিপাথর, গলাচিপা, বৃকবানপুর, বৃ›দ্ববনপুর, র্ঙ্গাামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার ভ্রাম্বন ছড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত। 

১১ কিলোমিটার দৈর্ঘ শহীদ জাফর সড়ক দিয়ে প্রতিদিন রাউজান উপজেলা ও রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করে। হাজার হাজার স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা শহীদ জাফর সড়ক দিয়ে স্কুল কলেজ, মার্দ্রাসায় যাতায়াত করে। 

সড়ক ও জনপথ বিভাগের আওতাধিন ১১ কিলোমিটার র্দৈঘ শহীদ জাফর সড়কটি রাউজানের সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরীর একান্ত প্রচেষ্টায় নির্মানের জন্য টেন্ডার আহবান করলে চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্টান সড়কের নির্মান ক্জা নেয় । ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চৌধুরী এন্টারপ্রাইজ গত এক বৎসর পুর্বে সড়কের নির্মান কাজ শুরু করে। ঠিকাদারী প্রতিষ্টান চৌধুরী এন্টার প্রাইজ শহীদ জাফর সড়কের রাউজান ডাকবাংলো থেকে রাউজান সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পর্যন্ত আর সি,সি ঢালাই করে। 

সড়কের হলদিয়া ইউনিয়নের জানিপথর এলাকায় জানিপাথর বাজারে আর সি সি ঢালাই করে সড়কের নির্মান কাজ করেন। ১১ কিলোমিটার র্দৈগ সড়কের দু পাশে মাটি ভরাট করে সড়ক প্রশস্তকরনের কাজ শেষ করেন। সড়কে ৮টি ব্রীজ ও কালভার্ট নির্মান কাজ শেষ হয়। সড়কের অবশিষ্ট কাজ চলছে। 

সড়কের নির্মান কাজ করোনার প্রার্দুভাবের কারনে ব›দ্ব হয়ে যায়। বর্তমানে ঠিকদারী প্রতিষ্টান সড়কের নির্মান কাজ পুণরায় শুরু করেছে। 

শহীদ জাফর সড়কটি নির্মান কাজ হওয়ায় হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বাসিন্দ্বাদের দীঘদিনের যাতাযাতের চরম দুভোর্গ লাঘব হওয়ায় দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বাসিন্দ্বাদের মধ্যে আনন্দের বন্যা নেমে এসেছে। 

রাউজানের হলদিয়া ইউনিয়নের দুর্গম পাহাড়ী এলাকার বৃন্বাবন এলাকার বাসিন্দ্বা উসা মং মারমা বলেন, শহীদ জাফর সড়ক নির্মান হওয়ায় এলাকার উপজাতীয় পরিবারের বাসিন্দ্বাদের জীবন যাত্রার মান উন্নয়ন হয়েছে। 

হলদিয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার শাহাজাহান বলেন, শহীদ জাফর সড়কের নির্মান কাজ চলছে। শহীদ জাফর সড়কের নির্মান কাজ শেষ হলে রাউজান ও কাউখালী উপজেলার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে। পাহাড়ী জমি ও কৃষি জমিতে  উৎপাদিত তরি তরকারী, ফল বাজারজাত করতে সুবিধা হবে। 

সড়ক ও জনপথ বিভাগের নিবার্হী প্রকৌশলী জুলফিকার আহম্মদ বলেন, শহীদ জাফর সড়কের নির্মান কাজের সময়সীমা আগামী ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত । বর্ষার কারনে সড়কের নির্মান কাজ ধীরগতি হয়ে পড়ে। বর্ষার শেষে নিদিষ্ট সময় সীমার মধ্যে সড়কের নির্মানর কাজ শেষ করবে ঠিকাদারী প্রতিষ্টান ।

রাউজানে বিষমুক্ত মাল্টা উৎপাদন করছে প্রবাস ফেরৎ প্রেমতোষ বড়ুয়া

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা :

রাউজান উপজেলার ৭নং রাউজান ইউনিয়নের জয় নগর বড়ুয়া পাড়ার বাসিন্দ্বা প্রেমতোষ বড়ুয়া জিবিকার তাগিদে মধ্যপ্রাচ্যে চলে যায়। দীর্ঘ দিন মধ্যপ্রাচ্যে থেকে দেশে ফিরে এসে। দেশে ফিরে এসে প্রবাস ফেরৎ’ প্রেমতোষ বড়ুয়া তার বাড়ীর পাশে বাউকুল বাগান গড়েন। 

বাউকুল বাগান করার পর তার বাড়ীর পাশে তার পৈতৃক এক একর জমি ও বাড়ীর পুর্ব পাশে তার মামা থেকে এক একর জমি নিয়ে দুই একর জমিতে গড়ে তোলেন মাল্টা গাছের বাগান। 

রাউজান উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সহায়তায় ২ একর জমিতে ৬শত ৩০টি মাল্টা গাছের চারা রোপন করেন। গত ২০১৮ সালে শুরু করা মাল্টা গাছের বাগানে মাল্টা চাষ করতে খরচ হয় ১২ লাখ টাকা। প্রেমতোষ বড়ুয়া তার মাল্টা গাছের বাগানে কোন ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহার করেনা। কোন কীটনাশক ঔষধ ব্যবহার করেনা। 

গরুর গোবর দিয়ে নিজেই জৈব সার তৈয়ারী করে মাল্টা বাগানে জৈব সার প্রয়োগ করেন। গরুর মুত্র গাছের পাতা ও বিভিন্ন উপকরন দিয়ে নিজেই জৈব কীটনাশক তৈয়ারী করে মাল্টা বাগানে পোকা মাকড় দমনে জৈব কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। মাল্টা গাছের বাগানে গত বৎসর থেকে ফলন শুরু হয়। গত বৎসর মাল্টা বাগানের মাল্টা প্রেমতোষ বড়ুয়া তার এলাকার মানুষের মধ্যে ও আত্বিয় স্বজন ও বিহারের মধ্যে দিয়ে দেয়। 

এবৎসর মাল্টা বাগানে প্রচুর পরিমাণ ফলন হয়েছে। প্রেমতোষ বড়ুয়া বলেন, তার দু একর মাল্টা বাগানে এবৎসর ১ মেট্রিক টন মাল্টা উৎপাদন হবে। মাল্টা বাগানের মাল্টা প্রতি কেজি ১শত ৩০ টাকা করে বাজারে বিক্রয় করা হচ্ছে । প্রেমতোষ বড়ুয়া তার মাল্টা বাগান থেকে এবৎসর ১লাখ ১৩ হাজার টাকার মাল্টা বিক্রয় করতে পারবে বলে আশা করছেন। 

এছাড়াও মাল্টা গাছের বাগানের মধ্যে লিচু,লেবু, কমলা, বিভিন্ন প্রজাতির আম, পেয়ারা পেপেঁ গাছের বাগান গড়েছে। বাজারে থেকে মানুষ বিষ যুক্ত ফল ক্রয় করে নিয়ে খাবার পর মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়। প্রেমতোষ বড়ুয়ার মাল্টা বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা বিষমুক্ত হওয়ায় এলাকার মানুষ প্রেমতোষ বড়ুয়া মাল্টা ক্রয় করছে। 

রাউজান উপজেলা কৃষি অফিসার শাব্বির আহম্মদ বলেন, প্রেমতোষ বড়ুয়ার মাল্টা বাগানে মাল্টা চাষের জন্য উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সেচ যন্ত্র পাইপ, পোকা মাকড় দমনের জন্য ফেরোমন ফাদঁ বসানো হয়েছে।তিনি একজন সফল মাল্টা চাষী হিসাবে রাউজানে পরিচিত লাভ করেছে। 

সরেজমিনে পরিদর্শন কালে দেখা যায় মাল্টা বাগানে প্রেমতোষ বড়ুয়া ও একজন কর্মচারী বাগানের পরিচর্যার কাজ করছেন। বাগোনের পরিচর্য়ার কাজে সহায়তা করছেন প্রেমতোষ বড়ুয়ার পুত্র রাউজান সুরেশ বিদ্যায়তনের ৮ম শ্রেনীর ছাত্র শাওন বড়ুয়া। প্রেমতোষ বড়ুয়া মাল্টা বাগান ছাড়া ও এবৎসর আমন ধানের চারা রোপন করার মৌসুমে ২একর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ করেছেন। এছাড়া ও ১০টি দেশী গরু লালন পালন করছেন । তার মধ্যে গাভী গরুও রয়েছে ।

রাউজান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজী এর উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক স্মৃতি বৃত্তির সনদ বিতরন

শফিউল আলম, রাউজানবার্তা : 

রাউজান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজী (আর,আই,টি) এর উদ্যোগে ইঞ্জিনিয়ার আবদুল খালেক স্মৃতি বৃত্তির আওতায় প্রশিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষন শেষে সনদ বিতরন অনুষ্টিত হয়। 

 ৪ আগষ্ট শুক্রবার বিকাল ৫ টার সময় রাউজান পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের হাজী পাড়া রাউজান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজী (আর,আই,টি) এ স্কুলে অনুষ্টিত সনদ বিতরন অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জমির উদ্দিন পারভেজ। 

রাউজান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজীর উদ্যোগে ইঞ্জি. আবদুল খালেক স্মৃতি বৃত্তির সনদ বিতরন

রাউজান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজী (আর,আই,টি) এর অধ্যক্ষ প্রকৌশলী আবদুল বাতেনের সভাপতিত্বে ও প্রশিক্ষক রবিন ইমতিয়াজের সঞ্চলনায় অনুষ্টিত সনদ বিতরন অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সমিতি বোর্ডের সভাপতি তসলিম উদ্দিন, রাউজান প্রেস ক্লাবের সভাপতি শফিউল আলম, 

রাউজান ছালামত উল্লাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কাজী মাওলানা হাবিবুর হোসাইন মাইজভান্ডারী, 

রাউজান প্রেস ক্লাবের সবেক সভাপতি মীর আসলাম, জাহেদুল আলম, প্রদীপ শীল, তৈয়ব চৌধুরী। 

অনুষ্টানে আরো বক্তব্য রাখেন শিক্ষার্থী আনিকা তাসনিম, শিবলু, মঈন উদ্দিন, জহিরুল ইসলাম, ইসরাত জাহান ইমু প্রমুখ ।